Views Bangladesh Logo

৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় ইমিসহ গ্রেপ্তার তিনজনের জামিন নাকচ

ঢাকার শাহবাগ থানার সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো কর্মসূচি চলাকালীন গ্রেপ্তার হওয়া ‘স্লোগান ৭১’-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ দুইজনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম সোমবার শুনানি নিয়ে জামিন আবেদন নাকচ করেন।

অপর দুই আসামি হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত এবং সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন।

ইমির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, সৈকতের পক্ষে তারিকুল ইসলাম এবং মামুনের পক্ষে গোলাম রাব্বানী। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

শনিবার বিকেলে চানখাঁরপুল মোড়ে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোয় দুজনকে আটক করার প্রতিবাদে ইমি এবং কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশায় করে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি দেন। কর্মসূচি রাত সাড়ে ৯টায় শুরু হয়। পরে রাত ১০টার দিকে কয়েকজন এসে তাদের মাইক ও ব্যাটারি ভেঙে ফেলে। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে হাতাহাতি হয়।

এরপর ডাকসু ও ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা ইমি ও মামুনকে টেনে শাহবাগ থানার ভিতরে নিয়ে যায়। এই সময় পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।

মামলার বিবরণী অনুযায়ী, আসামিরা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউডস্পিকারে উস্কানিমূলক স্লোগান দেন এবং ‘সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের’ উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যক্রম সচল করার চেষ্টা করেন। এছাড়া পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং থানার হেফাজত থেকে আসিফ আহমেদকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগও আনা হয়েছে।

রোববার শাহবাগ থানা সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে। জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় ইমি, আসিফ ও মামুন বর্তমানে থানার হেফাজতে রয়েছেন।

এদিকে, রোববার (৮ মার্চ) দিবাগত রাতে এরকম আরেকটি ঘটনা ঘটে। ৭ মার্চ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করায় সেহরির টেবিল থেকে তুলে মারধর করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী, দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ওই শিক্ষার্থী সেহেরি খেতে বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলের ক্যান্টিনে বসেছিলেন। সেখান থেকে তাকে টেনে-হিঁচড়ে বাইরে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে শাহবাগ থানায় ফেলে রেখে যান জাতীয় ছাত্রশক্তির কয়েকজন নেতা।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহবাগ থানার এসআই কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, ছাত্ররা ওই শিক্ষার্থীকে (পাভেল) ধরে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছিল। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে তাকে আবার থানায় নিয়ে আসা হবে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ