Views Bangladesh Logo

আর্জেন্টিনা ১ - সুইজারল্যান্ড ১

আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ফিফা বিশ্বকাপ: লাইভ স্কোর এবং সর্বশেষ অবস্থা

Sports Desk

ক্রীড়া ডেস্ক

বিরতি | অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধেও অমীমাংসিত লড়াই

রেফারির বাঁশিতে শেষ হলো অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ১৫ মিনিট। একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে আর্জেন্টিনা পুরো সময়জুড়েই আক্রমণের পর আক্রমণ চালালেও সুইজারল্যান্ডের দৃঢ় রক্ষণ ভেদ করতে পারেনি। লিওনেল মেসির দূরপাল্লার একটি শটও সুইস ডিফেন্ডাররা প্রতিহত করে দেয়। ফলে এখনো আর্জেন্টিনা ১-১ সুইজারল্যান্ড সমতায় রয়েছে।



ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডের পর ১০ জন নিয়ে খেললেও অসাধারণ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে, সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে মরিয়া আর্জেন্টিনা বারবার আক্রমণে উঠলেও গোলের দেখা পায়নি। এখন আর মাত্র ১৫ মিনিট বাকি। এই সময়ের মধ্যে কোনো দল গোল করতে না পারলে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের এই রুদ্ধশ্বাস কোয়ার্টার ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ হবে টাইব্রেকারে।


১০২ মিনিট | মেসির শট রুখে দিল সুইস রক্ষণ

অতিরিক্ত সময়ে জয়সূচক গোলের জন্য চাপ বাড়িয়ে চলেছে আর্জেন্টিনা। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শট নেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ তা গন্তব্যে পৌঁছাতে দেয়নি। সুইস ডিফেন্ডারদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে মেসির শট মাঝপথেই প্রতিহত হয়। ১০ জনের দল নিয়ে রক্ষণে অবিচল সুইজারল্যান্ড, আর একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে জয়ের গোল খুঁজে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা।



৯৮ মিনিট | হলুদ কার্ড দেখলেন লাওতারো মার্তিনেজ

অতিরিক্ত সময়ে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণে চাপ বাড়াতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন লাওতারো মার্তিনেজ। বক্সের ভেতরে ভাসিয়ে দেওয়া বলে হেডের লড়াইয়ে সুইস ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকানজির ওপর অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক চ্যালেঞ্জ করেন আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ড। ঘটনাটির সঙ্গে সঙ্গেই ফাউল হিসেবে বাঁশি বাজান রেফারি। নিয়মবহির্ভূত ট্যাকলের কারণে লাওতারোকে হলুদ কার্ডও দেখানো হয়। ফলে অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনার এই স্ট্রাইকারকে এখন আরও সতর্ক হয়ে খেলতে হবে।


৯০ মিনিট | অতিরিক্ত সময় শুরু, এনজোর বদলে মাঠে আলমাদা

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে এখন আরও ৩০ মিনিটের কঠিন লড়াইয়ে নামছে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ড। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই আর্জেন্টিনা দলে পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মাঝমাঠে নতুন শক্তি যোগাতে এনজো ফার্নান্দেজের পরিবর্তে মাঠে নামানো হয়েছে থিয়াগো আলমাদাকে।

একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে খেলেও নির্ধারিত সময়ে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি আর্জেন্টিনা। এখন অতিরিক্ত সময়ে নতুন পরিকল্পনা নিয়ে জয়সূচক গোলের খোঁজে নামবে মেসির দল।


নির্ধারিত সময় শেষ | ১-১ গোলে সমতায় অতিরিক্ত সময়ে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড

রেফারির বাঁশিতে শেষ হলো উত্তেজনায় ভরা ৯০ মিনিট ও যোগ করা সময়। ১০ জনের সুইজারল্যান্ড দুর্দান্ত লড়াই করে আর্জেন্টিনার শেষ মুহূর্তের একের পর এক আক্রমণ সামলে দিয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময় শেষে স্কোরলাইন দাঁড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ১-১ সুইজারল্যান্ড।

প্রথমার্ধে লিওনেল মেসির কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে ড্যান নডয়ের গোলে সমতায় ফেরে সুইজারল্যান্ড। এরপর ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডে ১০ জনের দলে পরিণত হলেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে আটকে রাখে তারা।

তবে নকআউট ম্যাচের নিষ্পত্তি এখনো হয়নি। দুই দল সমতায় থাকায় ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের লড়াইয়ে। সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে এখন আরও একবার নিজেদের সেরাটা দিতে হবে মেসি ও তার সতীর্থদের।


৯০ মিনিট | যোগ হলো ৯ মিনিট, শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তার অপেক্ষা

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে অতিরিক্ত ৯ মিনিট যোগ করার ঘোষণা দিয়েছেন চতুর্থ রেফারি। গোল উদযাপন, এমবোলোর লাল কার্ডের পর দীর্ঘ ভিএআর পর্যালোচনা এবং হাইড্রেশন বিরতির কারণে অতিরিক্ত সময় বেড়েছে। এখন ১০ জনের সুইজারল্যান্ডের সামনে কঠিন পরীক্ষা। আরও ৯ মিনিট নিজেদের রক্ষণ সামলে ম্যাচ ধরে রাখতে হবে তাদের। অন্যদিকে, একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে থাকা আর্জেন্টিনা এই সময়ের মধ্যেই জয়সূচক গোল আদায় করে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মরিয়া।



ক্যানসাসে জমে উঠেছে শেষ মুহূর্তের লড়াই। মেসিরা কি নাটকীয় জয় তুলে নেবে, নাকি ১০ জনের সুইজারল্যান্ড লড়াই করে ম্যাচ নিয়ে যাবে অতিরিক্ত সময়ে? এখন সেটিই দেখার।


৮৬ মিনিট | সুইজারল্যান্ডের তিন পরিবর্তন

লাল কার্ডের পর ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া সুইজারল্যান্ড ম্যাচের শেষ মুহূর্তগুলো সামলাতে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন করল। ড্র ধরে রাখতে দলের ভারসাম্য ঠিক করার লক্ষ্যেই এই কৌশলগত পরিবর্তন আনেন কোচ মুরাত ইয়াকিন।



ফ্যাবিয়ান রিডারের পরিবর্তে মাঠে নামেন মিরো মুইহাইম। গোলদাতা ড্যান নডয়ের জায়গায় আক্রমণভাগে আসেন জেকি আমদুনি। এছাড়া মাঝমাঠে নতুন শক্তি যোগাতে ডিজিব্রিল সোয়ের পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় সিলভান উইডমারকে।

একজন কম নিয়ে খেললেও শেষ সময়ে শৃঙ্খলাবদ্ধ রক্ষণ ধরে রেখে ম্যাচে টিকে থাকতে চাইছে সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা একের পর এক আক্রমণ সাজিয়ে ৯০ মিনিটের মধ্যেই জয়সূচক গোল তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছে।


৮৫ মিনিট | আর্জেন্টিনার জোড়া পরিবর্তন, আক্রমণে আরও শক্তি বাড়ালেন স্কালোনি

জয়সূচক গোলের সন্ধানে ম্যাচের শেষ দিকে দলে বড় পরিবর্তন আনলেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। একসঙ্গে দুটি পরিবর্তন করে আক্রমণভাগে আরও ধার বাড়ানোর চেষ্টা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নাহুয়েল মলিনার পরিবর্তে মাঠে নামানো হয়েছে গনসালো মন্তিয়েলকে। একই সঙ্গে রদ্রিগো দি পলের জায়গায় আক্রমণাত্মক শক্তি বাড়াতে মাঠে এসেছেন লাওতারো মার্তিনেজ।

১০ জনের সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙতে শেষ মুহূর্তে বাড়তি চাপ তৈরি করতেই স্কালোনির এই কৌশলগত পরিবর্তন। এখন পুরোপুরি আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে আর্জেন্টিনা।



৮৫ মিনিট | অফসাইডে থামল মেসির আক্রমণ

জয়সূচক গোলের খোঁজে আক্রমণ সাজাচ্ছিল আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠ থেকে খেলা নিয়ন্ত্রণ করে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণে চাপ তৈরি করছিলেন লিওনেল মেসি। তবে সুইস ডিফেন্সের নিখুঁত অফসাইড ট্র্যাপে আটকা পড়েন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। রেফারির সহকারী দ্রুত পতাকা তুলে আক্রমণ থামিয়ে দেন। শেষ মুহূর্তে ১০ জনের সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে গোলের সুযোগ তৈরি করতে মরিয়া আর্জেন্টিনা, আর রক্ষণে নিজেদের শেষ শক্তি দিয়ে লড়ছে সুইসরা।


৭৮ মিনিট | আর্জেন্টিনার প্রথম পরিবর্তন

একজন বেশি খেলোয়াড়ের সুবিধা কাজে লাগাতে প্রথম পরিবর্তন করল আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে নিকোলাস তালিয়াফিকোর পরিবর্তে মাঠে নামলেন নিকোলাস গনসালেস।আক্রমণভাগে বাড়তি গতি ও সৃজনশীলতা যোগ করতেই এই পরিবর্তন করেছেন আর্জেন্টাইন কোচ। ১০ জনের সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ ভাঙতে এখন আরও বেশি চাপ তৈরি করতে চাইছে লিওনেল মেসির দল।



অন্যদিকে, সংখ্যায় পিছিয়ে থাকা সুইজারল্যান্ড এই সময়ে রক্ষণ সামলে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।


৭৬ মিনিট | দ্বিতীয়ার্ধের হাইড্রেশন ব্রেক

ম্যাচের শেষ ১৫ মিনিটের আগে হাইড্রেশন বিরতিতে গেলেন দুই দলের খেলোয়াড়রা। মাঠের বাইরে এসে শরীর সতেজ করার পাশাপাশি নিজেদের কৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন ফুটবলাররা এই বিরতি সুইজারল্যান্ডের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিল এমবোলোর লাল কার্ডের পর এখন ১০ জন নিয়ে খেলছে তারা। তাই বাকি সময়ে রক্ষণ সংগঠিত রাখা এবং আর্জেন্টিনার আক্রমণ ঠেকানোর পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগ পাচ্ছে সুইস কোচিং স্টাফ।



অন্যদিকে, একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে থাকা আর্জেন্টিনা এখন জয়সূচক গোলের সন্ধানে নামবে। সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে শেষ মুহূর্তে চাপ বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে লিওনেল মেসির দল।


৭২ মিনিট | লাল কার্ড! ১০ জনের দলে পরিণত সুইজারল্যান্ড

কানসাসে নাটকীয় মুহূর্ত! রেফারি ভিডিও পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ব্রিল এমবোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান। ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সুইজারল্যান্ডের এই ফরোয়ার্ড।

ঘটনাটি নিয়ে সুইস খেলোয়াড়রা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হয় এবং শেষ ২০ মিনিটেরও কম সময়ে ১০ জনের দল নিয়ে খেলতে হবে সুইজারল্যান্ডকে। ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচে এখন বড় সুবিধা পেয়ে গেল আর্জেন্টিনা। একজন বেশি খেলোয়াড় নিয়ে শেষ মুহূর্তগুলোতে জয়সূচক গোলের জন্য আরও আক্রমণাত্মক হতে চাইবে লিওনেল মেসির দল।


৬৭ মিনিট | নডয়ের গোলে সমতায় সুইজারল্যান্ড

অবশেষে আর্জেন্টিনার রক্ষণ ভেদ করে সমতায় ফিরল সুইজারল্যান্ড। ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করা সুইসরা এবার সেই চাপের ফল পেল। ড্যান নডয়ের গোলে স্কোরলাইন হলো আর্জেন্টিনা ১-১ সুইজারল্যান্ড।



আর্জেন্টিনার ডান প্রান্তের রক্ষণ নিয়ে শুরু থেকেই সমস্যায় ফেলছিল সুইজারল্যান্ড। রিকার্দো রদ্রিগেজের সঙ্গে দারুণ এক ওয়ান-টু করে তিনজন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন নডয়। এরপর কঠিন কোণ থেকেও ঠান্ডা মাথায় শট নিয়ে বলটি এমিলিয়ানো মার্তিনেজের নিচ দিয়ে জালে পাঠান তিনি।

প্রথমার্ধে গোলের পর পিছিয়ে পড়লেও পুরো ম্যাচে চাপ ধরে রাখা সুইজারল্যান্ড এবার প্রাপ্য সমতাসূচক গোল পেয়েছে। ১-১ সমতায় ফিরেছে ম্যাচ, আর শেষ মুহূর্তে সেমিফাইনালের লড়াই আরও জমে উঠেছে।


৬৫ মিনিট | জোড়া সেভে আর্জেন্টিনাকে রক্ষা করলেন মার্তিনেজ

দুর্দান্ত দুটি সেভ করে আবারও আর্জেন্টিনার ত্রাতা হলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ব্রিল এমবোলোর অসাধারণ বল ধরে রাখার দক্ষতায় আর্জেন্টিনার রক্ষণে চাপ তৈরি হয়। তার সুবাদে আক্রমণে অতিরিক্ত খেলোয়াড় নিয়ে উঠে আসে সুইজারল্যান্ড।

এরপর বল পেয়ে রিকার্দো রদ্রিগেজ ক্রস বাড়ান নোয়াহ ওকাফোর দিকে। তার হালকা হেড গোলমুখে এগিয়ে গেলেও দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে সেটি ঠেকিয়ে দেন মার্তিনেজ।


সেখানেই শেষ নয়, ফিরতি বল দ্রুত নিজেদের দখলে নিয়ে আবারও আক্রমণ সাজায় সুইজারল্যান্ড। এবার বক্সের বাইরে থেকে নিচু ও জোরালো শট নেন গ্রানিত জাকা। কিন্তু আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক আবারও প্রস্তুত ছিলেন। একের পর এক দুইটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে আর্জেন্টিনার ১-০ ব্যবধানের লিড অক্ষুণ্ন রাখলেন বিশ্বসেরা এই গোলরক্ষক।


৬০ মিনিট | এমবোলোর হেড, সহজেই বল ধরলেন মার্তিনেজ

সমতায় ফেরার লক্ষ্যে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড। রিকার্দো রদ্রিগেজের দারুণ এক ক্রস থেকে বক্সের ভেতরে বল পেয়ে যান ব্রিল এমবোলো। তবে তার নেওয়া হেডারে তেমন শক্তি ছিল না, ফলে সহজেই তা নিয়ন্ত্রণে নেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।



বলটি ধরতে খুব বেশি কঠিন না হলেও নাটকীয় ভঙ্গিতে ঝাঁপিয়ে সেটি নিজের দখলে নেন মার্তিনেজ। গোলরক্ষকের এই উদযাপন কিছুটা বাড়াবাড়ি মনে হলেও আর্জেন্টিনা এখনো ১-০ ব্যবধানের লিড ধরে রেখেছে।


৫৯ মিনিট | ম্যাক অ্যালিস্টারকে ফাউল, ফ্রি কিক পেল আর্জেন্টিনা

পাল্টা আক্রমণে উঠেছিল আর্জেন্টিনা। সেই সময় বল দখলে রেখে এগিয়ে যাচ্ছিলেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। শরীর দিয়ে বল আগলে রেখে দুর্দান্ত দক্ষতায় সুইস রক্ষণকে সামলানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি। তবে তাকে থামাতে গিয়ে সময়মতো ট্যাকল করতে ব্যর্থ হন রেমো ফ্রয়েলার। ফলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাউল করেন সুইস এই মিডফিল্ডার। প্রতিশ্রুতিশীল জায়গা থেকে ফ্রি কিক পেয়েছে আর্জেন্টিনা, যেখানে সেট পিস থেকে আবারও গোলের সুযোগ তৈরি করতে চাইবে মেসির দল।



৫২ মিনিট | কর্নার পেল আর্জেন্টিনা

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আক্রমণের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। ডান দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে তুলতে গিয়ে সুইজারল্যান্ডের ডিফেন্ডার ডেনিস জাকারিয়ার বাধায় বল মাঠের বাইরে চলে যায়। ফলে কর্নার পেয়ে যায় লিওনেল মেসির দল। সেট পিস থেকে আবারও সুইজারল্যান্ডের রক্ষণে চাপ তৈরি করার সুযোগ পাচ্ছে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে কর্নার থেকেই গোল পাওয়া দলটি এবারও এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়াতে চাইবে।



৫০ মিনিট | মলিনার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্রমণে ওঠে আর্জেন্টিনা। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শটে গোলের চেষ্টা করেন নাহুয়েল মলিনা। তবে তার নেওয়া শটটি শক্তি পেলেও তা লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি। বল চলে যায় গোলপোস্টের বাইরে। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, সমতায় ফেরার লক্ষ্য নিয়ে খেলছে সুইজারল্যান্ড।



৪৬ মিনিট | দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু

বিরতি শেষে রেফারির বাঁশিতে আবারও শুরু হয়েছে ক্যানসাসের লড়াই। ১-০ গোলের লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নেমেছে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধে দ্রুত গোল করার পর রক্ষণে শৃঙ্খলা বজায় রেখে দলটি এবার ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ খুঁজবে।



অন্যদিকে বলের দখলে আধিপত্য দেখিয়েও প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পাওয়া সুইজারল্যান্ড সমতায় ফেরার লক্ষ্যে আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চাইবে। ম্যাচের বাকি ৪৫ মিনিটে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে দুই দলই সর্বোচ্চ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে।


৪৫+৫ মিনিট | বিরতিতে ১-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

রেফারির শেষ বাঁশিতে শেষ হলো প্রথমার্ধ। শুরুতেই অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের করা গোলই এখন পর্যন্ত দুই দলের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। লিওনেল মেসির কর্নার থেকে আসা নিখুঁত বলে হেড করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার। সেই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১০তম অ্যাসিস্টও পূর্ণ করেন মেসি।



গোল হজমের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই নিজেদের হাতে তুলে নেয় সুইজারল্যান্ড। বলের দখলে আধিপত্য দেখিয়ে একাধিক আক্রমণ গড়ে তুললেও শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার সুসংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ব্রিল এমবোলোর বড় সুযোগ শেষ মুহূর্তে নষ্ট করে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, আর রেমো ফ্রয়েলারের দূরপাল্লার শটও লক্ষ্যে থাকেনি।



ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলের মূল্যবান লিড নিয়ে বিরতিতে গেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোলের দেখা না পাওয়ায় দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে সুইজারল্যান্ডের সামনে।


৪৫ মিনিট | প্রথমার্ধে যোগ হলো ৪ মিনিট

প্রথমার্ধের নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষ হওয়ার পর অতিরিক্ত ৪ মিনিট যোগ করেছেন চতুর্থ কর্মকর্তা। এই সময়ে সমতাসূচক গোলের খোঁজে আরও জোরালো আক্রমণ চালাতে চাইবে সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে এক গোলের লিড ধরে রেখে বিরতিতে যেতে সতর্কতার সঙ্গে খেলছে আর্জেন্টিনা।




৪৪ মিনিট | হলুদ কার্ড দেখলেন এমবোলো

ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখলেন সুইজারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ব্রিল এমবোলো। বল হারানোর পর রক্ষণে নেমে প্রতিপক্ষকে থামাতে গিয়ে সময়মতো ট্যাকল করতে ব্যর্থ হন তিনি। কঠোর ফাউলের কারণে রেফারি তাকে সতর্ক করে হলুদ কার্ড দেখান।



৪৩ মিনিট | দূরপাল্লার শটে লক্ষ্যভ্রষ্ট ফ্রয়েলার

সমতায় ফেরার চেষ্টায় দূরপাল্লার শটে ভাগ্য পরীক্ষা করেন সুইজারল্যান্ডের মিডফিল্ডার রেমো ফ্রয়েলার। বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শট নিলেও বল গোলবারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। শক্তি থাকলেও শটটি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি।




৪০ মিনিট | বক্সের বাইরে বিপজ্জনক ফ্রি কিক পেল সুইজারল্যান্ড

আর্জেন্টিনার রক্ষণে এবার চাপ বাড়াল সুইজারল্যান্ড। ব্রিল এমবোলো দারুণ দক্ষতায় বল আগলে এগিয়ে যাওয়ার সময় তাকে থামাতে গিয়ে বক্সের ঠিক বাইরে ফাউল করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ফলে অত্যন্ত বিপজ্জনক জায়গা থেকে ফ্রি কিকের সুযোগ পেয়ে যায় সুইসরা।

এমবোলো নিজের শারীরিক শক্তি ও উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই সেট পিস আদায় করেন। ম্যাচের এই পর্যায়ে সমতায় ফেরার বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে সুইজারল্যান্ডের সামনে, আর আর্জেন্টিনার জন্য এটি রক্ষণ সামলানোর কঠিন পরীক্ষা।


৩২ মিনিট | এমবোলোর সুযোগ নষ্ট, অল্পের জন্য বাঁচল আর্জেন্টিনা

সমতায় ফেরার দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেছিল সুইজারল্যান্ড। ডিফেন্স চিরে দেওয়া নিখুঁত এক পাস পেয়ে প্রায় একা গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে যাচ্ছিলেন ব্রিল এমবোলো। তবে শেষ মুহূর্তে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ অসাধারণ দৃঢ়তা দেখায়। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় এমবোলোকে শট নেওয়ার আগেই থামিয়ে দেওয়া হয়। সুইজারল্যান্ড ধারাবাহিকভাবে আক্রমণ চালিয়ে গেলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণ এখন পর্যন্ত দুর্ভেদ্যই রয়ে গেছে। শেষ মুহূর্তের এই দুর্দান্ত রক্ষণেই ১-০ ব্যবধানে নিজেদের লিড অক্ষুণ্ন রেখেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।



২৬ মিনিট | হাইড্রেশন ব্রেকের পর আবার শুরু খেলা

হাইড্রেশন ব্রেক শেষে আবার মাঠে নেমেছেন দুই দলের খেলোয়াড়রা। রেফারির বাঁশিতে পুনরায় খেলা শুরু হয় এবং বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করছে আর্জেন্টিনা। টানা সুইস চাপে কিছুটা রক্ষণাত্মক হয়ে পড়া বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এবার ম্যাচের ছন্দ নিজেদের দিকে ফেরানোর লক্ষ্য নিয়ে খেলছে।



অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডও বিরতির আগের মতোই বলের দখল ধরে রেখে সমতায় ফেরার সুযোগ খুঁজছে। ম্যাচ এখনো বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, যেখানে এক গোলের লিড নিয়ে সতর্ক ফুটবল খেলছে আর্জেন্টিনা।


২৩ মিনিট | হাইড্রেশন ব্রেক, দখলে পিছিয়েও লিড ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা


ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে আধিপত্য দেখিয়েছে সুইজারল্যান্ড। ছোট ছোট পাসে খেলার গতি নিয়ন্ত্রণ করে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তুললেও আর্জেন্টিনার সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। উল্টো ১০ মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত কর্নার থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১০তম অ্যাসিস্টের রেকর্ডও গড়েন মেসি।

গোলের পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই সুইজারল্যান্ডের কাছেই ছিল। গ্রানিত জাকার দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, এরপর ধারাবাহিকভাবে বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণের চেষ্টা চালায় সুইসরা। তবে আর্জেন্টিনা ধৈর্য ধরে রক্ষণ সামলে দ্রুত পাল্টা আক্রমণের কৌশলেই খেলে যায়। ২৩ মিনিটে হাইড্রেশন বিরতিতে যাওয়ার সময় স্কোরলাইন ১-০, আর এগিয়ে রয়েছে আর্জেন্টিনা।


১৫ মিনিট | বলের দখলে সুইজারল্যান্ড, অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা

গোল হজমের পর আবারও বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। ছোট ছোট পাসে আক্রমণ গড়ে তুলে আর্জেন্টিনার রক্ষণে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তারা। তবে আর্জেন্টিনা কোনো তাড়াহুড়ো না করে নিজেদের রক্ষণভাগ সুসংগঠিত রেখেই প্রতিপক্ষের ভুলের অপেক্ষায় আছে। ১৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও সেই আধিপত্যকে এখনো গোলের সুযোগে রূপ দিতে পারেনি সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা পাল্টা আক্রমণের কৌশলেই এগোচ্ছে।


১০ মিনিট | বিশ্বকাপে অ্যাসিস্টের রেকর্ডে আরও এগিয়ে মেসি

আর্জেন্টিনার প্রথম গোলটি শুধু দলকে এগিয়েই দেয়নি, নতুন একটি বিশ্বকাপ রেকর্ডও গড়েছেন লিওনেল মেসি। তার কর্নার থেকেই অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের ১০তম অ্যাসিস্ট পূর্ণ করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

এই অ্যাসিস্টের সুবাদে ১৯৬৬ সাল থেকে বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংরক্ষণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার তালিকায় আরও এগিয়ে গেলেন মেসি। তিনি এখন ১০ অ্যাসিস্ট নিয়ে আছেন শীর্ষে, যেখানে কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৮। গোলের পাশাপাশি সৃষ্টিশীলতাতেও বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের অনন্য আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।


১০ মিনিট | মেসির কর্নার থেকে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডে এগিয়ে আর্জেন্টিনা

দ্রুতই ম্যাচের জট খুলে ফেলল আর্জেন্টিনা। সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ আবারও কর্নার থেকে ভুলের খেসারত দিল। লিওনেল মেসির নিখুঁত কর্নার থেকে বক্সে ফাঁকা জায়গা খুঁজে নেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। কোনো ভুল না করে শক্তিশালী শটে বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার।



শুরু থেকেই আক্রমণের তীব্রতা ধরে রাখা আর্জেন্টিনা দ্রুত গোল পেয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে। অন্যদিকে, সুইজারল্যান্ডকে এখন দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে সমতায় ফেরার পথ খুঁজতে হবে, নইলে শুরুতেই কঠিন চাপে পড়ে যাবে তারা।


৬ মিনিট | দূরপাল্লার শটে লক্ষ্যভ্রষ্ট জাকা

ম্যাচের শুরুতেই দূরপাল্লার শটে ভাগ্য পরীক্ষা করেন সুইজারল্যান্ডের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার গ্রানিত জাকা। বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শট নিলেও বল গোলপোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে চলে যায়। শুরু থেকেই বলের দখল ধরে রেখে আক্রমণ গড়ার চেষ্টা করছে সুইজারল্যান্ড। তবে ৬ মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি।


খেলা শুরু | শোকের আবহ পেরিয়ে শুরু কেপটাউনের মহারণ

ফুটবলের উন্মাদনার মাঝেও আজ কেপটাউন স্টেডিয়ামে নেমে আসে শোকের ছায়া। সম্প্রতি ২০২৬ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সিতে খেলার মাত্র কয়েক দিন পরই মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারানো ফুটবলার জেডেন অ্যাডামসকে স্মরণে ম্যাচ শুরুর আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন দুই দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, ম্যাচ কর্মকর্তাসহ স্টেডিয়ামে উপস্থিত হাজারো দর্শক। আবেগঘন সেই মুহূর্তে পুরো স্টেডিয়ামজুড়ে নেমে আসে গভীর নীরবতা।



নীরবতা শেষে রেফারির প্রথম বাঁশির সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় বহুল প্রতীক্ষিত এই বিশ্বকাপের লড়াই। দুই দলই শুরু থেকেই বলের দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে, আর গ্যালারিজুড়ে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে জমে উঠেছে কেপটাউনের পরিবেশ। শোকের আবহকে পেছনে রেখে এখন মাঠে শুরু হয়েছে সেমিফাইনালের টিকিটের লক্ষ্যে দুই দলের কঠিন পরীক্ষা।


হেভিওয়েট কোয়ার্টার ফাইনাল: ব্লকবাস্টার লড়াইয়ের আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের একাদশ ঘোষণা

মিসৌরির কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের অন্যতম হাইভোল্টেজ কোয়ার্টার ফাইনালের জন্য প্রস্তুত দুই দল। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হচ্ছে সুইজারল্যান্ডের, আর সেমিফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে দুই কোচই ইতিমধ্যে ঘোষণা করে দিয়েছেন তাঁদের একাদশ। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পা রাখবে ফুটবল-অমরত্বের আরও কাছাকাছি, আর সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড অথবা নরওয়ের।



আর্জেন্টিনার কৌশল: আক্রমণাত্মক ৪-১-৩-২ ছক

মধ্যমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে এবং দলের সৃজনশীলতাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে আক্রমণাত্মক ৪-১-৩-২ ছক বেছে নিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। গোলবারের নিচে থাকবেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, তাঁর সামনে সেন্টারব্যাক হিসেবে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ফুলব্যাক পজিশনে নাহুয়েল মলিনা ও নিকোলাস তালিয়াফিকো। রক্ষণের ঠিক সামনে ঢাল হিসেবে খেলবেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস, তাঁর সামনে মধ্যমাঠে বল দখল ও আক্রমণ তৈরিতে থাকবেন এনজো ফের্নান্দেজ, রদ্রিগো দে পল ও আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। আক্রমণভাগের মূল দায়িত্বে থাকছেন ম্যানচেস্টার সিটি ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেজ এবং কিংবদন্তি অধিনায়ক লিওনেল মেসি, যিনি এই টুর্নামেন্টে ইতিমধ্যে আট গোল করে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। বেঞ্চেও বিশ্বমানের বিকল্প রেখেছেন স্কালোনি—লাউতারো মার্তিনেজ, জিওভানি লো সেলসো ও অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দির মতো খেলোয়াড়রা প্রয়োজনে মাঠে নেমে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন।

সুইজারল্যান্ডের কৌশল: ভারসাম্যপূর্ণ ৪-২-৩-১ ছক


বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হতাশ করতে এবং পাল্টা আক্রমণে সুযোগ কাজে লাগাতে ভারসাম্যপূর্ণ ৪-২-৩-১ ছকে দল সাজিয়েছেন সুইজারল্যান্ড কোচ মুরাত ইয়াকিন। গোলবারে থাকবেন গ্রেগর কোবেল, তাঁর সামনে মজবুত রক্ষণ গড়ে তুলবেন সেন্টারব্যাক ম্যানুয়েল আকানজি ও নিকো এলভেদি, ফ্ল্যাংকে সহায়তায় থাকবেন রিকার্ডো রদ্রিগেজ। মধ্যমাঠের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকবেন দুই পিভট ডেনিস জাকারিয়া ও অধিনায়ক গ্রানিত জাকা, আর্জেন্টিনার ছন্দ ভাঙতে যাঁদের শারীরিক উপস্থিতি হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের সামনে খেলা তৈরির দায়িত্বে থাকবেন রেমো ফ্রয়লার, উইংয়ে ড্যান এনদোয়ে ও ফাবিয়ান রিডার, আর আক্রমণাত্মক মিডফিল্ড ত্রয়ী পূর্ণ করবেন জিব্রিল সাও। একক স্ট্রাইকার হিসেবে আর্জেন্টিনার রক্ষণ ভাঙার দায়িত্ব থাকবে ব্রিল অ্যাম্বোলোর কাঁধে। বেঞ্চেও শক্তিশালী বিকল্প রয়েছে ইয়াকিনের হাতে—নোয়া ওকাফোর ও রুবেন ভার্গাসের মতো খেলোয়াড়রা প্রস্তুত, তবে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন উদীয়মান তারকা ইয়োহান মানজাম্বি।

আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল

শুরুর একাদশ
২৩ এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (গোলরক্ষক), ২৬ নাহুয়েল মলিনা (ডিফেন্ডার), ১৩ ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (ডিফেন্ডার), ৬ লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (ডিফেন্ডার), ৩ নিকোলাস তালিয়াফিকো (ডিফেন্ডার), ৫ লিয়ান্দ্রো পারেদেস (মিডফিল্ডার), ২৪ এনজো ফের্নান্দেজ (মিডফিল্ডার), ৭ রদ্রিগো দে পল (মিডফিল্ডার), ২০ আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (মিডফিল্ডার), ৯ হুলিয়ান আলভারেজ (ফরোয়ার্ড), ১০ লিওনেল মেসি (ফরোয়ার্ড)।



বদলি খেলোয়াড়/ বিকল্প বেঞ্চ
১ জেরোনিমো রুলি... (সংশোধন: ১ জে. মুসো), ২ মার্কোস সেনেসি, ৪ গঞ্জালো মন্তিয়েল, ৮ ভালেন্তিন বার্কো, ১১ জিওভানি লো সেলসো, ১২ জেরোনিমো রুলি, ১৪ এজেকিয়েল পালাসিওস, ১৫ নিকোলাস গনসালেস, ১৬ থিয়াগো আলমাদা, ১৭ জিওভানি সিমিওনে, ১৮ নিকোলাস পাজ, ১৯ নিকোলাস ওতামেন্দি, ২১ হুলিয়ানো লোপেজ, ২২ লাউতারো মার্তিনেজ, ২৫ ফাকুন্দো মেদিনা।

কোচ: লিওনেল সেবাস্তিয়ান স্কালোনি

সুইজারল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দল

শুরুর একাদশ
১ গ্রেগর কোবেল (গোলরক্ষক), ১৩ রিকার্ডো রদ্রিগেজ (ডিফেন্ডার), ৫ ম্যানুয়েল আকানজি (ডিফেন্ডার), ৪ নিকো এলভেদি (ডিফেন্ডার), ৬ ডেনিস জাকারিয়া (ডিফেন্ডার), ১০ গ্রানিত জাকা (মিডফিল্ডার), ৮ রেমো ফ্রয়লার (মিডফিল্ডার), ১১ ড্যান এনদোয়ে (মিডফিল্ডার), ১৫ জিব্রিল সাও (মিডফিল্ডার), ২২ ফাবিয়ান রিডার (মিডফিল্ডার), ৭ ব্রিল অ্যাম্বোলো (ফরোয়ার্ড)।



বদলি খেলোয়াড়/ বিকল্প বেঞ্চ
২ মিশেল মুহাইম, ৩ সিলভান উইডমার, ১২ ইভোন এমভোগো, ১৪ আর্দন ইয়াশারি, ১৬ ক্রিস্তিয়ান ফাসনাখট, ১৭ রুবেন ভার্গাস, ১৮ এদিমিলসন কোমের্ত, ১৯ নোয়া ওকাফোর, ২০ মিশেল এবিশার, ২১ মার্ভিন কেলার, ২৩ জেকি আমদুনি, ২৪ আমান আমেন্দা, ২৫ লেয়ানার্দ জাকেজ, ২৬ ক্রিস্টিয়ান ইতেন।

কোচ: মুরাত ইয়াকিন

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ