আর্জেন্টিনা ১ - কেপ ভার্দে ১
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ফিফা বিশ্বকাপ: লাইভ স্কোর এবং সর্বশেষ অবস্থা
৯০+৮ মিনিট | অতিরিক্ত সময়ে গড়াল ম্যাচ! আর্জেন্টিনা ১-১ কেপ ভার্দে
রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে শেষ হলো শ্বাসরুদ্ধকর ৯০ মিনিটের লড়াই। নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতায় থাকায় ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে লড়াই এখন গড়াচ্ছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে পুরো ম্যাচজুড়ে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছে কেপ ভার্দে। দারুণ রক্ষণ, সাহসী আক্রমণ এবং দুর্দান্ত লড়াইয়ে তারা প্রমাণ করেছে, এই নকআউট ম্যাচে তারা শুধু অংশ নিতে নয়, জিততেও এসেছে।
অন্যদিকে মেসিদের সামনে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ; অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ম্যাচের ভাগ্য নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসা। শেষ পর্যন্ত কে হাসবে, তার উত্তর মিলবে আরও ৩০ মিনিটের লড়াইয়ে।
৯০+১ মিনিট | দ্বিতীয়ার্ধে যোগ হলো অতিরিক্ত ৮ মিনিট
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পর চতুর্থ রেফারি অতিরিক্ত ৮ মিনিট সময় যোগ করার সংকেত দিয়েছেন। ইনজুরি, পরিবর্তন এবং খেলা বারবার বন্ধ থাকার কারণেই এই দীর্ঘ অতিরিক্ত সময়। ফলে দুই দলই এখনও জয়ের জন্য লড়াই করার যথেষ্ট সুযোগ পাচ্ছে। আর্জেন্টিনা শেষ মুহূর্তে গোল করে ম্যাচের নিষ্পত্তি করতে চাইবে, আর আত্মবিশ্বাসে উজ্জীবিত কেপ ভার্দে ইতিহাস গড়ার আশায় শেষ বাঁশি পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। ম্যাচের নাটকীয় পরিণতির জন্য মঞ্চ যেন পুরোপুরি প্রস্তুত।
৮৫ মিনিট | মাঠ ছেড়েছেন আর্জেন্টিনার রদ্রিগো , নেমেছেন লিয়ান্দ্রো
মাঝমাঠে কৌশলগত পরিবর্তন আনলেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। মাঠ ছেড়েছেন রদ্রিগো ডি পল, তার জায়গায় খেলতে নেমেছেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। তবে স্কালোনির দুশ্চিন্তা এখানেই শেষ নয়। ডানপ্রান্তের ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনাকে পায়ের তীব্র ক্র্যাম্পে ভুগতে দেখা যাচ্ছে। তিনি স্পষ্টতই অস্বস্তিতে রয়েছেন, তাই ম্যাচের শেষ মুহূর্তে তাকে নিয়েও আরেকটি পরিবর্তন আনতে হতে পারে আর্জেন্টিনাকে।
৭৪ মিনিট | দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকে আর্জেন্টিনা ১-১ কেপ ভার্দে
ম্যাচের দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেকের জন্য সাইডলাইনে গেছেন দুই দলের খেলোয়াড়রা। বিরতির ঠিক আগে টানা কয়েক মিনিট ধরে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে দারুণ উত্তেজনা ছড়িয়েছে দুই দল। বিশেষ করে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার অবিশ্বাস্য এক সেভ নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত করেছে আর্জেন্টিনাকে।
এই সংক্ষিপ্ত বিরতিতে দুই কোচই শেষ সময়ের পরিকল্পনা সাজানোর সুযোগ পাবেন। শেষ প্রায় ১৫ মিনিটে জয়ের গোলের খোঁজে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে দুই দলই। ম্যাচ এখন পুরোপুরি খোলা, আর যে কোনো মুহূর্তেই বদলে যেতে পারে এর ভাগ্য।
৭৩ মিনিট | কেপ ভার্দের গোলরক্ষকের অবিশ্বাস্য সেভ
কেপ ভার্দেকে আবারও রক্ষা করলেন গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। আর্জেন্টিনার দারুণ এক আক্রমণ থেকে নিশ্চিত গোল হতে পারত, কিন্তু দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে অবিশ্বাস্য এক সেভ করেন তিনি। মুহূর্তের মধ্যে বলের গতিপথ বুঝে অসাধারণ রিফ্লেক্সে শটটি প্রতিহত করেন অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষক। তাঁর এই বিশ্বমানের সেভে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় আর্জেন্টিনা, আর ১-১ সমতায় ম্যাচে টিকে থাকে কেপ ভার্দে।
ভোজিনহার এই দুর্দান্ত হস্তক্ষেপে ম্যাচের উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। এখন দুই দলই জয়ের গোলের খোঁজে মরিয়া।
৬৮ মিনিট | কেপ ভার্দের হলুদ কার্ড! আর্জেন্টিনা ১-১ কেপ ভার্দে
ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখলেন কেপ ভার্দের পিনা। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে উঠছিলেন লিওনেল মেসি। তাকে থামাতে আর কোনো উপায় না দেখে জার্সি টেনে মাটিতে ফেলে দেন পিনা। স্পষ্ট ফাউলের জন্য কোনো দ্বিধা না করে সঙ্গে সঙ্গেই হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। মেসির দৌড় থেমে গেলেও ফাউল করে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনাময় আক্রমণ নষ্ট করার মূল্য দিতে হলো পিনাকে।
৫৯ মিনিট | ডেরয় ডুয়ার্তের গোল! সমতায় কেপ ভার্দে
ম্যাচে বড় চমক দেখাল কেপ ভার্দে। ঘণ্টার আগেই দেরয় দুয়ার্তের গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-১ সমতায় ফিরেছে আফ্রিকার দলটি। দ্রুতগতির আক্রমণ থেকে তৈরি হওয়া সুযোগে দুর্দান্ত ফিনিশ করেন ডেরয় ডুয়ার্তে। এমিলিয়ানো মার্টিনেজকে পরাস্ত করে বল জালে জড়াতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে কেপ ভার্দের শিবির। এতক্ষণ ধরে আর্জেন্টিনার ওপর চাপ সৃষ্টি করার পুরস্কার অবশেষে পেয়ে গেল তারা।
এই গোলে ম্যাচে নতুন প্রাণ ফিরে এসেছে। একসময় নিয়ন্ত্রণে থাকা আর্জেন্টিনা এখন আবারও এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজবে, আর আত্মবিশ্বাসে উজ্জীবিত কেপ ভার্দে ইতিহাস গড়ার স্বপ্নে আরও সাহসী হয়ে উঠবে।
৫৪ মিনিট | মার্টিনেজের অবিশ্বাস্য সেভ! আর্জেন্টিনা ১-০ কেপ ভার্দে
নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে আর্জেন্টিনাকে বাঁচালেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। কেপ ভার্দের দ্রুত আক্রমণ থেকে নেওয়া জোরালো শটটি দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে ফিরিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক। অসাধারণ রিফ্লেক্সে করা এই সেভে ১-০ ব্যবধান অক্ষুণ্ন রাখে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচে সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল কেপ ভার্দে। তবে মার্টিনেজ প্রমাণ করলেন, বড় ম্যাচে কেন তিনি আর্জেন্টিনার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভরসাগুলোর একজন। তাঁর অসাধারণ সেভে এখনও লিড ধরে রেখেছে আলবিসেলেস্তেরা।
৪৮ মিনিট | দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আক্রমণাত্মক কেপ ভার্দে
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে কেপ ভার্দে। আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগে চাপ বাড়িয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে দ্রুত একটি আক্রমণ গড়ে তোলে তারা। সেখান থেকে বক্সের ভেতরে নিচু করে দারুণ একটি পাসও বাড়ানো হয়। তবে বলটি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন দা কোস্তা। সামান্য ভুল নিয়ন্ত্রণের কারণে সম্ভাবনাময় সুযোগটি হাতছাড়া করে কেপ ভার্দে, আর বড় বিপদ থেকে রক্ষা পায় আর্জেন্টিনা।
৪৫+৪ মিনিট | মেসির গোলে প্রথমার্ধ শেষে এগিয়ে আর্জেন্টিনা
মায়ামিতে বিরতির বাঁশি। প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলের স্বস্তির লিড নিয়ে ড্রেসিংরুমে ফিরেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ সময় কেপ ভার্দের দৃঢ় রক্ষণভাগের সামনে আটকে থাকলেও শেষ পর্যন্ত অধিনায়ক লিওনেল মেসির জাদুকরী মুহূর্তই গড়ে দিয়েছে দুই দলের পার্থক্য।
প্রথমার্ধের শুরুতে কেপ ভার্দেও শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলেছে এবং আর্জেন্টিনাকে সহজে সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। তবে ২৯তম মিনিটে মেসির দুর্দান্ত ফিনিশে অবশেষে জালের দেখা পায় আলবিসেলেস্তেরা। দ্বিতীয়ার্ধে এই লিড ধরে রেখে শেষ ষোলোর পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে চাইবে আর্জেন্টিনা, আর কেপ ভার্দে খুঁজবে সমতায় ফেরার উপায়।
৪৫ মিনিট | প্রথমার্ধে যোগ হলো ৪ মিনিট, আর্জেন্টিনা ১-০ কেপ ভার্দে
প্রথমার্ধের নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষ হওয়ার পর চতুর্থ রেফারি অতিরিক্ত ৪ মিনিট যোগ করার সংকেত দিয়েছেন। ইনজুরি, ফাউল এবং খেলা বন্ধ থাকার সময়ের ক্ষতিপূরণ হিসেবেই এই সময় যোগ করা হয়েছে। এখন বিরতিতে যাওয়ার আগে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পাবে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, কেপ ভার্দেও এই অতিরিক্ত সময় কাজে লাগিয়ে সমতায় ফেরার শেষ চেষ্টা চালাবে।
২৯ মিনিট | আবারও মেসির জাদু! আর্জেন্টিনা ১-০ কেপ ভার্দে
অবশেষে ভাঙল গোলশূন্যতা। দলের সবচেয়ে প্রয়োজনের মুহূর্তে আবারও ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হলেন লিওনেল মেসি। দুর্দান্ত ফিনিশে বল জালে জড়িয়ে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন অধিনায়ক। গোল হতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্টেডিয়াম। গ্যালারিজুড়ে শুরু হয় ‘মেসি, মেসি’ ধ্বনি। প্রথমার্ধে কিছুটা ধীরগতিতে খেলা আর্জেন্টিনা অবশেষে তাদের কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেল, আর সেই কাজটি করলেন তাদের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তারকাই।
এই গোলের মাধ্যমে মেসি নিজের ক্যারিয়ারে বিশ্বকাপে গোলসংখ্যা বাড়িয়ে ২০-এ নিয়ে গেলেন, যা তার অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতার আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ। শুধু তাই নয়, এই গোলের সুবাদে টানা ৮টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার বিরল কীর্তিও গড়লেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। প্রতিটি ম্যাচেই গোল করে তিনি বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে নিজের নাম আরও উঁচু আসনে নিয়ে গেলেন।
২৫ মিনিট | হাইড্রেশন ব্রেকে আর্জেন্টিনা ০-০ কেপ ভার্দে
ম্যাচের প্রথম হাইড্রেশন ব্রেকের জন্য মাঠ ছেড়ে সাইডলাইনে গেছেন দুই দলের খেলোয়াড়রা। প্রথম ২৫ মিনিটে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে দেখা যায়নি আর্জেন্টিনাকে। বলের দখল ধরে রাখলেও আক্রমণে ধার ছিল না, শেষ তৃতীয়াংশে বারবার থেমে গেছে মেসিদের প্রচেষ্টা। তাই এই বিরতিতে কোচ লিওনেল স্কালোনির কৌশলগত পরিবর্তনের দিকেই তাকিয়ে থাকবে আর্জেন্টিনা শিবির।
অন্যদিকে, কেপ ভার্দে এই বিরতিকে নিজেদের জন্য ইতিবাচক রাখার প্রার্থনাই করবে। কারণ, এমন ছোট্ট বিরতিই অনেক সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। তারা চাইবে না, এই বিরতির পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা হঠাৎ করেই নিজেদের সেরা ছন্দে ফিরে এসে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নিক। এখন দেখার বিষয়, বিরতির পর দুই দলের কৌশলে কী পরিবর্তন আসে।
১৮ মিনিট | দুর্দান্ত সেভ! আর্জেন্টিনা ০-০ কেপ ভার্দে
ফ্রি-কিক থেকে নিজের চেনা ভঙ্গিতে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শট নেন লিওনেল মেসি। ডি-বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া শটটি ডিফেন্সিভ ওয়ালের ওপর দিয়ে দারুণভাবে গোলের বাঁ দিকের কোণ লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছিল। মুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল, হয়তো ম্যাচের প্রথম গোলটি পেয়ে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা।
তবে কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন পুরোপুরি প্রস্তুত। বলের গতিপথ নিখুঁতভাবে বুঝে দ্রুত ডান দিকে সরে গিয়ে কোনো ঝুঁকি না নিয়েই দুই হাতে বলটি তালুবন্দি করেন তিনি। মেসির দারুণ প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে বাঁচান এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক। ১৮ মিনিট শেষে তাই এখনও গোলশূন্য রয়েছে ম্যাচ।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার মিশন শুরু
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নতুন চ্যালেঞ্জে নেমেছে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে কেপ ভার্দের বিপক্ষে জয় তুলে নেওয়াই লিওনেল মেসিদের লক্ষ্য। অন্যদিকে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নেমেছে কেপ ভার্দে, তাই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের প্রত্যাশাই করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার মিশন শুরু মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্বকাপের ইতিহাসে আরেকটি সোনালি অধ্যায় যোগ করলেন মেসি। এই ম্যাচটি বিশ্বকাপে তাঁর ক্যারিয়ারের ৩০তম উপস্থিতি, যা এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে কোনো ফুটবলারের সর্বোচ্চ। এতদিনের রেকর্ড ভেঙে নতুন এক মাইলফলকের মালিক হলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
শুধু ম্যাচসংখ্যাতেই নয়, আরেকটি অনন্য কীর্তিও গড়েছেন তিনি। এটি বিশ্বকাপে তাঁর ২৭তম ম্যাচ, যেখানে তিনি শুরুর একাদশে মাঠে নেমেছেন। এটিও বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিকতা, ফিটনেস এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে মেসির এই অর্জন ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে নিল।
কেপ ভার্দে একাদশ (৪-১-৪-১)
গোলবারে ভোজিনিয়া। রক্ষণে সিডনি লোপেস কাব্রাল, দিনি, আর. লোপেস ও এস. মোরেইরা। মাঝমাঠে ডিফেন্সিভ পিভটে কেভিন পিনা, তার সামনে জে. কাব্রাল, ডি. দুয়ার্তে, এল. দুয়ার্তে ও আর. মেন্দেস। একমাত্র ফরোয়ার্ড হিসেবে এন. দা কস্তা।
আর্জেন্টিনা একাদশ (৪-১-২-৩)
গোলবারে এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। রক্ষণে নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও ফাকুন্দো মেদিনা। মাঝমাঠে একক পিভটে আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, তার সামনে রদ্রিগো দে পল ও এনসো ফের্নান্দেস। আক্রমণভাগে লিওনেল মেসি, লাউতারো মার্তিনেস ও থিয়াগো আলমাদা।
রূপকথার কেপ ভার্দের সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, মেসিদের চোখ শেষ ষোলোয়
ফিফা বিশ্বকাপে রূপকথার গল্প লিখে নকআউট পর্বে ওঠা কেপ ভার্দের সামনে এবার সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। রাউন্ড অব ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ও তিনবারের শিরোপাজয়ী আর্জেন্টিনা। শনিবার (৪ জুলাই) ভোর ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামি গার্ডেনসের হার্ড রক স্টেডিয়ামে শুরু হবে ম্যাচটি।
একদিকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে মাত্র প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে, যারা এবারই প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে এসে নকআউটে জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে।
গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত ছন্দে ছিল লিওনেল স্কালোনির দল। আলজেরিয়াকে ৩-০, অস্ট্রিয়াকে ২-০ এবং জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে উঠেছে আর্জেন্টিনা। দলের প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি তিন ম্যাচেই গোল করেছেন। আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকসহ তার গোলসংখ্যা এখন ৬, যা তাকে এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসিয়েছে।
নকআউটে আর্জেন্টিনার আত্মবিশ্বাসও আকাশছোঁয়া। স্কালোনির অধীনে দলটি টানা ১০টি নকআউট ম্যাচে অপরাজিত। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড় এখনও একসঙ্গে খেলছেন, যা তাদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
অন্যদিকে কেপ ভার্দে জয় না পেলেও অসাধারণ লড়াই করে নকআউটে এসেছে। স্পেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র, উরুগুয়ের সঙ্গে ২-২ ড্র এবং সৌদি আরবের বিপক্ষে ০-০ ফল করে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়েছে তারা। বিশেষ করে স্পেনের বিপক্ষে ড্রটি এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
কোচ রুই আগুয়াসের দল রক্ষণে দারুণ সংগঠিত হলেও আক্রমণে তুলনামূলক দুর্বল। এখন পর্যন্ত দলের হয়ে একটি করে গোল করেছেন হেলিও ভারেলা ও কেভিন পিনা। অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ভোজিনিয়া গ্রুপ পর্বে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে নজর কেড়েছেন। তবে মেসি, লাউতারো মার্তিনেজ, জুলিয়ান আলভারেজদের মতো তারকায় ঠাসা আক্রমণভাগকে পুরো ৯০ মিনিট ঠেকিয়ে রাখা তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
এই লড়াইয়ের বিজয়ী দল রাউন্ড অব ১৬-এ মিশরের মুখোমুখি হবে।
মতামত দিন