জানুয়ারি-নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি কমেছে

গত বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি শন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ কমেছে, বিপরীতে আমদানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
রপ্তানি কমার পেছনে প্রতিযোগিতামূলক বাজারের চাপ, পণ্যের মিশ্রণে পরিবর্তন বা কাঁচামালের দামের ওঠা-নামাকে দায়ী করছে ইউএস অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটিএক্সএ)।
সংস্থাটি বলছে, ওই ১১ মাসে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের ইউনিট মূল্য ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ কমেছে, যা রপ্তানি অব্যাহত সত্ত্বেও রাজস্বকে প্রভাবিত করে।
পক্ষান্তরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক আমদানি গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে শক্তিশালীভাবে বেড়েছে, নভেম্বর মাসে যা বেড়েছে রেকর্ড বার্ষিক ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ। নভেম্বরের এই বৃদ্ধি আংশিকভাবে ২০২৩ সালের একই মাসে অস্বাভাবিকভাবে কম আমদানিস্তরের কারণে হয়েছিল বলেও জানিয়েছে ওটিএক্সএ।
ওই তিন মাসের (সেপ্টেম্বর-নভেম্বর) আমদানিস্তরের স্থির পুনরুদ্ধার এই ইতিবাচক প্রবণতায় অবদান রেখেছে।
গত বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক পোশাক আমদানি ২০২৩ সালের একই সময়ের তুলনায় ডলারের পরিমাণে শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ বেড়েছে।
আয়তনের পরিপ্রেক্ষিতে, বর্গমিটার সমতুল্য (এসএমই) পরিমাপে মার্কিন বৈশ্বিক পোশাক আমদানি বছরে ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ হারে বেড়েছে, যা বৈশ্বিক আমদানি মূল্যের ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ হ্রাসকে প্রতিফলিত করে৷
দেশটিতে পোশাক আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লেও বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির হারে অন্য শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশগুলোর পেছনে রয়েছে।
একই সময়ে চীনের রপ্তানি শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ, ভিয়েতনামের ৪ দশমিক ৫৪ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ এবং ভারতের ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে