আম্মারসহ ৯ শিবির নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা, তদন্তে পিবিআই
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার, এজিএস এস এম সালমান সাব্বিরসহ রাকসু ও ছাত্রশিবিরের ৯ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটির তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রাজশাহীর মতিহার থানা আমলি আদালতে আহত শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানের বাবা এম এস আজাদ উজ জামান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় আরও ১৭-১৮ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ১৯-২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, বাঁশ ও বেতের লাঠি নিয়ে মাহমুদুল হাসানের ওপর হামলা চালায়। এতে তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর সেখান থেকে নামিয়ে আবারও মারধর করা হয় বলেও এজাহারে দাবি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বি এম নাজমুস সাকিব, উপ-সম্পাদক সিফাত আবু সালেহ, শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম, শহীদ হবিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি আহসান উল্লাহ ফারহান, নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মেহেদী সজীব এবং ক্যাম্পাস মনিটরিং কো-অর্ডিনেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা।
বাদীর অভিযোগ, ঘটনার পরদিন মতিহার থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব পিবিআইকে দেন।
তবে এ ঘটনার পর অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছিল। রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেছিলেন, তারা কোনো হামলা চালাননি; বরং রাকসু কার্যালয়ে হামলার প্রতিবাদ করেছিলেন। মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে অন্য আসামিদের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মতামত দিন