Views Bangladesh Logo

তৃতীয় টার্মিনালে ৪০ মিনিটে মিলবে সব লাগেজ, ব্যর্থ হলে জরিমানা: বিমানমন্ত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনালে যাত্রীদের লাগেজ পাওয়ার সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে সরকার। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, উড়োজাহাজ থেকে নামার পর প্রথম লাগেজ ১২ মিনিটের মধ্যে এবং সর্বশেষ লাগেজ সর্বোচ্চ ৪০ মিনিটের মধ্যে যাত্রীর হাতে পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেবা দিতে ব্যর্থ হলে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালনাকারী কনসোর্টিয়ামকে জরিমানা করা হবে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

সংবাদ সম্মেলনে বিমানমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘আমরা ১৬ই ডিসেম্বরে আংশিকভাবে থার্ড টার্মিনালটা উদ্বোধন করতে পারব। এটা সম্পূর্ণ হতে হয়তো পাঁচ-ছয় মাস সময় লাগবে। আপনারা আশা করতে পারেন যে ভালো একটা এয়ারপোর্ট দিয়ে আপনারা যেতে পারবেন এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি যেটা আমাদের পুরাতন এয়ারপোর্টে আছে, সেগুলি সম্পূর্ণ নিরসন হবে।’

টার্মিনাল পরিচালনা ও যাত্রীসেবার বিষয়ে চুক্তি প্রসঙ্গে বিমানমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানিজ কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে যে কন্ট্রাক্ট হয়েছে আমাদের, এই কন্ট্রাক্টের মধ্যে একদম একটা প্যাসেঞ্জার কতক্ষণ সময় লাগবে তার প্লেন থেকে নামতে বা উঠতে, সেটাও স্পেসিফাই করে দেওয়া আছে। যদি দেরি করে তারা, যেহেতু তারা হ্যান্ডেল করবে, তাহলে তাদেরকে ফাইন করা হবে। তাদের লাগেজটা কত সময়ের মধ্যে আসবে, আমরা দিয়েছি ১২ মিনিট থেকে আরম্ভ করে ৪০ মিনিটের মধ্যে একটা মানুষের লাগেজ পেতে হবে। এবং এটার পরে যদি কেউ পায়, ফার্স্ট লাগেজ ১২ মিনিটে আসতে হবে এবং লাস্ট লাগেজ ২৫ মিনিট দেওয়া আছে, কিন্তু গ্রেস পিরিয়ড ধরে ৪০ মিনিট পর্যন্ত আমরা অ্যালাউ করব। তা যদি না করতে পারে, তাদেরকে ফাইন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই বিষয়গুলি আমরা যাত্রীসেবার জন্য নিশ্চিত করেছি আমাদের কনসোর্টিয়ামের কন্ট্রাক্টে। আমরা মনে করি যে আমাদের থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধন হলে আমাদের যে এভিয়েশন সেক্টর নিয়ে একটা বিরূপ, স্পেশালি বিমান নিয়ে যে বিরূপ ধারণা ছিল মানুষের, সেটা অনেকাংশেই কমে যাবে।’

বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ‘নভেম্বরের ফার্স্ট উইকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা কক্সবাজার এয়ারপোর্টটাকেও ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট হিসেবে ওপেন করব। সেখানেও ইতোমধ্যেই আমাদের সঙ্গে অনেকেই যোগাযোগ করেছে, এয়ার এশিয়া যোগাযোগ করেছে, পেনাং থেকে ডাইরেক্ট ফ্লাইট আসবে কক্সবাজারে এবং মালয়েশিয়ায় যাবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চিন্তা করছি যে এটা আরও বাড়ানো যায় কিনা অন্যান্য জায়গায়। তাতে করে বাংলাদেশের একটা এভিয়েশন হাব তৈরি হবে, যেটা আমরা বিবেচনা করেছি।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ