দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে আমদানি হচ্ছে ৪ কোটি ডিম
চার কোটি ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার। ডিমের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমদানির জন্য অনুমোদন পেয়েছে ৪টি প্রতিষ্ঠান। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, যত দ্রুত সম্ভব দেশে ডিম আনতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।
যে চারটি কোম্পানিকে ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তারা হলো- মীম এন্টারপ্রাইজ, প্রাইম এনার্জি ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড সাপ্লাইয়ার্স, টাইগার ট্রেডিং ও অর্ণব ট্রেডিং লিমিটেড।
এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘৪টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি এক কোটি করে ডিম আমদানি করবে। আমাদের লক্ষ্য দেশের বাজারে ডিমের দাম কমিয়ে আনা। সেজন্য আমদানির অনুমতি দেওয়া শুরু হয়েছে। ডিমের দাম না কমা পর্যন্ত আমরা এটা চালিয়ে যাবো।’
গতকাল রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিম আমদানির এই অনুমতি দেয়। এর আগে বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, বাজারে ডিমের দাম না কমলে আমদানির অনুমতি দেওয়া হবে।
এদিকে ডিম আমদানি করার ক্ষেত্রে ৪টি শর্ত দেওয়া হয়েছে। এর প্রথমটি হলো, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু মুক্ত দেশ থেকে ডিম আমদানি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আমদানি করা ডিমির প্রতিটি চালানের জন্য রপ্তানিকারক দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু ভাইরাস ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ামুক্ত সনদ দাখিল করতে হবে।
এ ছাড়াও নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি করা যাবে না এবং সরকারের অন্যান্য বিধি–বিধান প্রতিপালন করতে হবে– এমন দুটো শর্তের কথা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ জানিয়েছেন, ঠিক কবে ডিম আমদানি হবে তা চার প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। তবে তাদেরকে বলা হয়েছে, যত দ্রুত সম্ভব ডিম আমদানি করতে হবে। যেহেতু ঋণপত্র খুলে আমদানি করতে হবে সেক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
আমদানি করা ডিমের দাম কী হবে, তা ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্য সচিব বলেন, বাজারে যেহেতু ডিমের খুচরা মূল্য ১২ টাকা করে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, তাই আমদানি করা ডিমও প্রতিটি ১২ টাকার বেশি দামে বিক্রি করা যাবে না।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে