Views Bangladesh Logo

থাইল্যান্ডে রিসোর্ট থেকে ২১ বাংলাদেশি আটক

 VB  Desk

ভিবি ডেস্ক

থাইল্যান্ডের চানা জেলায় একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তার মালিকানাধীন সমুদ্রতীরবর্তী রিসোর্ট থেকে ২১ জন বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের একজন নাগরিকসহ ২২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখান থেকে তাদের মালয়েশিয়ায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল। থাইল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম ব্যাংকক পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, রিসোর্টটি বন্ধ থাকলেও ভেতর থেকে ভিনদেশি ভাষায় কথা বলার শব্দ আসছিল। একটি পরিত্যক্ত ভবনের প্রবেশপথে ত্রিপল দিয়ে ঢাকা সরু পথ দিয়ে ভেতরে ঢুকে পুলিশ ২২ জন বিদেশি নাগরিককে গাদাগাদি করে বসে থাকতে দেখে। আটকদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং মিয়ানমারের একজন নারী রয়েছেন। তাদের বয়স ২০ থেকে ৪৬ বছরের মধ্যে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সোংখলা ইমিগ্রেশন পুলিশ ও পর্যটন পুলিশ চানা জেলার না থাব এলাকার ওই রিসোর্টে অভিযান চালায়। অবৈধ অভিবাসীদের সেখানে লুকিয়ে রাখা হয়েছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে এই তল্লাশি পরিচালিত হয়।

আটক হওয়ার পর অভিবাসীরা তাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, রিসোর্ট মালিক ফোনগুলো কেড়ে নিয়েছেন।

অভিযানের সময় রিসোর্টের ৬৬ বছর বয়সী মালিক কৃতিদেতকে আটক করা হয়। তিনি সোংখলা প্রদেশের প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা বিভাগে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন শেষে অবসর নিয়েছেন।


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কৃতিদেত জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। তবে তার ঘরের খাটের নিচ থেকে দুটি বাক্সে লুকানো ১৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পুলিশ। অভিবাসীরা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য তারা দালালদের মাথাপিছু ৭ লাখ টাকা দিয়েছেন। তারা বাংলাদেশ থেকে বিমানে কম্বোডিয়া যান এবং গত ৪ এপ্রিল সা কায়েও সীমান্ত দিয়ে হেঁটে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেন। পরে কয়েক দফায় তাদের এই রিসোর্টে নিয়ে আসা হয়।

কৃতিদেতের বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় ও সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। আটক বাংলাদেশি ও মিয়ানমারের নাগরিকদের বিরুদ্ধে অবৈধ প্রবেশ ও অবস্থানের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তারা খুয়ান মিদ পুলিশ স্টেশনে আইনি প্রক্রিয়ার অধীনে রয়েছেন।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ