Views Bangladesh Logo

ধর্ষণ ও ভ্রুণ নষ্টে অভিযুক্ত শিবির নেতা জিসানের পক্ষে ব্রিফ করায় দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল

ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ভ্রুণ নষ্ট করায় অভিযুক্ত ছাত্রশিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধানের পক্ষে সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফ করার ঘটনায় দুই সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটরের (এপিপি) নিয়োগ বাতিল করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ফারুক হোসাইন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি অ্যাডভোকেট মনির হোসেন পাটোয়ারী এবং অ্যাডভোকেট সাইদুল ইসলামের নিয়োগ বাতিল করা হয়।

আদেশে বলা হয়, পূর্বের নিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বাতিল করা হলো এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ভুক্তভোগী পক্ষ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় কারাগারে থাকা জিসান মিয়া প্রধানের পক্ষে ওই দুই আইনজীবী সাংবাদিকদের সামনে অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়।

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হয়ে আসামির পক্ষে অবস্থান নেওয়া গ্রহণযোগ্য নয় বলেই বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

তবে নারী ও শিশু আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন দাবি করেন, ওই দুই এপিপি আদালতে আনুষ্ঠানিকভাবে আসামির পক্ষে ওকালতনামা দাখিল করেননি; তারা শুধু সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফ করেছিলেন।

এর আগে ১১ জুন নিখোঁজ থাকার পর জিসান মিয়া প্রধানকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এক নারী অভিযোগ করেন যে ফেসবুক পরিচয়ের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং পরে বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে গর্ভপাতের ওষুধ খাওয়ানোর চাপ দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ১৬ জুন আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ