সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ১,৯৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস
তীব্র গরমের মধ্যে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সংকট আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ১ হাজার ৯৩৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের রোববার দুপুরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সন্ধ্যার পিক আওয়ারে সবচেয়ে বেশি লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে ঢাকা জোনে। এ সময়ে রাজধানীসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় ৫৬৯ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং হতে পারে। তবে আগের দিন শনিবার একই সময়ে ঢাকা জোনে ৬৯৮ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস ছিল।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ময়মনসিংহ ও খুলনা জোনে সন্ধ্যার পিক আওয়ারে ২৫০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ ঘাটতি হতে পারে। এ ছাড়া রাজশাহী ও রংপুর জোনে ২০০ মেগাওয়াট করে এবং চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জোনে ১৫০ মেগাওয়াট করে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে সিলেট জোনে ১০০ মেগাওয়াট এবং বরিশাল জোনে ৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে অঞ্চলভেদে বিদ্যুৎ ঘাটতির মাত্রায় বেশ পার্থক্য থাকছে। এর মধ্যে বরিশাল জোনে সবচেয়ে কম লোডশেডিং হওয়ার কথা রয়েছে।
বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণযন্ত্র, ফ্যানসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ছে। একই সময়ে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়ায় চাহিদার সঙ্গে সরবরাহের সমন্বয় করতে লোডশেডিংয়ের প্রয়োজন হচ্ছে।
সব মিলিয়ে রোববার সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৯৩৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঘাটতি সামাল দিতে লোডশেডিং করতে হতে পারে। এতে ভ্যাপসা গরমের মধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মতামত দিন