রাজশাহীতে ১৬ লাখ ৮০ হাজার অর্থনৈতিক ইউনিটে কর্মরত প্রায় ৩৪ লাখ মানুষ: অর্থনৈতিক শুমারি
রাজশাহী বিভাগে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ১৬ লাখ ৮০ হাজার ৭১৭ এবং এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মে নিয়োজিত জনবলের সংখ্যা ৩৪ লাখ ৯ হাজার ৩১৬ জন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর চূড়ান্ত ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর চূড়ান্ত ফলাফল অবহিতকরণ এবং স্ট্যাটিসটিক্যাল বিজনেস রেজিস্টার (এসবিআর) বিষয়ক এক বিভাগীয় কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়। কর্মশালায় আলোচক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. গোলাম সাকলাইন এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. জাকির হোসেন।
পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতাধীন বিবিএস গত ৭ এপ্রিল জাতীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই ফলাফল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, ব্যবসায়ী সংগঠন ও গবেষকদের কাছে তুলে ধরতেই এ কর্মশালার আয়োজন করা হয় বলে জানান রাজশাহী পরিসংখ্যান বিভাগীয় কার্যালয়ের যুগ্ম-পরিচালক মো. আব্দুল হালিম।
যুগ্মসচিব মো. জাকির হোসেন বলেন, এই তথ্য স্থানীয় পর্যায়ে বিনিয়োগ সম্ভাবনা চিহ্নিতকরণ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়ন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনায় সহায়ক হবে। অর্থনৈতিক শুমারি থেকে প্রাপ্ত সব বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে এসবিআরের আওতায় আনা হচ্ছে জানিয়ে তিনি এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের সহযোগিতার আহ্বান জানান।
রাজশাহী চেম্বারের পরিচালক মো. গোলাম সাকলাইন বলেন, রাজশাহীতে বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুবই কম, এ অঞ্চলে শিল্পকারখানা বৃদ্ধির পরিকল্পনা প্রয়োজন। এ কাজে রাজশাহী চেম্বার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।
উন্মুক্ত আলোচনায় রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার ফয়জুল কবির ও ইটভাটা মালিক সমিতির প্রতিনিধি মো. সদরুল ইসলামও অংশ নেন। নিয়মিত জরিপের মাধ্যমে সঠিক পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হলে তা ব্যবসায়ীদের জন্য উপকারী হবে বলে মতামত দেন তারা।
মতামত দিন