সারাদেশে ১৬২ বিজিবি প্লাটুন, র্যাবের ৪৩৫ টহল দল মোতায়েন
সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে নবম দফায় বিএনপিসহ বিরোধী বিভিন্ন দল ও জোটের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। অবরোধ চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে ১৬২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবির পাশাপাশি মাঠে রয়েছে র্যাবের ৪৩৫টি টহল দল।
এ ব্যাপারে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, ঢাকা ও এর আশপাশের জেলায় ২৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনসহ সারা দেশে ১৬২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানিয়েছেন, রাজনৈতিক এই কর্মসূচি চলাকালে যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি বাড়িয়েছে র্যাব।
তিনি আরও জানান, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে টহলের মাধ্যমে এ “স্কর্ট সার্ভিস” দিয়ে নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিচ্ছে র্যাব। পাশাপাশি যেকোনো ধরনের নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে গোয়েন্দারা ছদ্মবেশে নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।
অবরোধ কর্মসূচি শুরুর আগে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফার্মগেট মোড়ে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ছাড়াও রাত ১১টার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনাল এবং আগারগাঁও বেতার ভবনের সামনে দুটি বাসে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
এর আগে ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ করতে না পারার প্রতিবাদে ২৯ অক্টোবর সকাল-সন্ধ্যা হরতাল, ৩১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত অবরোধ, তৃতীয় দফায় ৮ ও ৯ নভেম্বর, চতুর্থ দফায় ১২ ও ১৩ নভেম্বর এবং পঞ্চম দফায় ১৫ ও ১৬ নভেম্বর অবরোধ ঘোষণা করা হয়। এরপর ফের ১৯ ও ২০ নভেম্বর এবং ২২ ও ২৩ নভেম্বর ৪৮ ঘণ্টার হরতালের ডাক দেয় বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। এরপর ২৬ নভেম্বর অবরোধ এবং ২৭ নভেম্বর হরতাল কর্মসূচি দেওয়া হয়।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে