Views Bangladesh Logo

ঝিনাইদহে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৬

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন— ছানোয়ার হোসেন ছনো (৫৫), মিজান আলী (৪৫), বিভান আলী (২২), ঝন্টু মিয়া (৪৫), মতিয়ার রহমান (৫০), আক্তার মোল্লা (৩২), রাশিদুল ইসলাম (৩৫), বরকত মোল্লা (৪০), ফেন্টু মিয়া (৫০), মশিয়ার মেম্বার (৪২), তোজিবার মোল্লা (৬৫), কবির মণ্ডল (৩০), রুবেল মণ্ডল (৩২), কাবিল (৪০), তোতা মিয়া (৩৪), নুর আলী (৫৪) ও বাচ্চু মিয়া (৩২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোয়ালিয়া গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শনিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের সমর্থকদের সঙ্গে বিএনপি সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমানের অনুসারীদের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। গুরুতর আহত পাঁচজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে এবং আরও তিনজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান অভিযোগ করে বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানপন্থী লোকজন আমাদের সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হরিণাকুণ্ডু থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) অসিত কুমার রায় বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ