ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তি
টানা বৃষ্টি ও সড়কের বড় বড় গর্তের কারণে ধীরগতিতে চলছে মেরামত কাজ। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রামমুখী হাজারো যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিক চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
শুক্রবার সকাল থেকে মহাসড়কের ময়নামতি এলাকার আমতলী অংশ থেকে যানজট শুরু হয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী পর্যন্ত দুই লেনে ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর পর্যন্ত যানবাহন ধীরগতিতে চললেও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, আমতলী এলাকায় সড়ক মেরামতের কাজ চলায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে। দুপুরের পরও যানজট কমেনি। বিকেল পৌনে ৩টার দিকে ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান জানান, মেরামত কাজের কারণে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ নেই, ধীরগতিতে চলছে।
পরিবহন শ্রমিকরা জানান, শুক্রবার ভোর থেকেই যানজট শুরু হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা অভিমুখী লেনে যানবাহনের চাপ আরও বেড়ে যায়। এতে যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়।
ফেনী থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকায় যাওয়া ব্যবসায়ী আলমাস খান জানান, দুপুর ১২টার দিকে তিনি পদুয়ার বাজার এলাকায় যানজটে আটকা পড়েন। সেখান থেকে ময়নামতি পৌঁছাতে তার প্রায় আড়াই ঘণ্টা সময় লেগেছে। যানজটে রোগীবাহী কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সকেও আটকে থাকতে দেখা গেছে।
এদিকে শুক্রবার সকালে ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার পক্ষ থেকে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ সুপারের কাছে জরুরি প্রতিবেদন পাঠানো হয়। এতে জানানো হয়, বৃষ্টির পানিতে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টসংলগ্ন আমতলী এলাকায় মহাসড়কে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে ঢাকা অভিমুখী লেনে যানবাহন থেমে থেমে চলাচল করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যানজটের কারণে অনেক চালক উল্টো পথে চলাচলের চেষ্টা করায় চট্টগ্রামমুখী লেনেও যানজট ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের দুটি মোবাইল টিমসহ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
মতামত দিন