ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: চট্টগ্রাম জেলা
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলাকে খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখে রাজনৈতিক দলগুলো। বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামে রযেছে ১৬টি আসন। পাহাড়, সমুদ্র এবং উপত্যকায় ঘেরা চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা প্রাচ্যের রাণী চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ ও বিএনটি দুই দলই বিগত নির্বাচনগুলোতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। জয়ের পাল্লাও প্রায় সমান সমান। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও খেলাফত মজলিশেরও ভালো অবস্থান রয়েছে এই জেলায়। দেশে যেকটি স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে (২০১৪.২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন ছাড়া) তার সবগুলোতে বিএনপি কিছুটা বেশি ভালো ফল করলেও আওয়ামী লীগও আনেক আসনে জিতেছে। তবে তবে এবার ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ না থাকায় পাল্টে গেছে এই জেলার ভোটের চিত্র। দেখে নেয়া যাক চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে এবারের নির্বাচনের অবস্থা।
চট্টগ্রাম-১ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৭৮): জেলার মীরসরাই উপজেলা নিয়ে চট্টগ্রাম-১ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৩,৮৬,৬৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৯৯,৮৫৯, নারী ১,৮৬,৮১১ ও হিজড়া ভোটার ৪ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে তারা প্রতীকে এ, কে, এম, আবু ইউছুপ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে রেজাউল করিম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নুরুল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে ফেরদৌস আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল থেকে হাত (পাঞ্জা) প্রতীকে শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী ও জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে সৈয়দ শাহাদাৎ হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে খালেদা জিয়া, ১৯৯৬ সালে উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোশাররফ হোসেন, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোশাররফ হোসেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-২ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৭৯): জেলার ফটিকছড়ি উপজেলা নিয়ে চট্টগ্রাম-২ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৪৮৮৪৬৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৫৯১৯৭, নারী ২২৯২৬৭ ও হিজড়া ভোটার ১ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সরোয়ার আলমগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বি.এস.পি) থেকে একতারা প্রতীকে শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ নুরুল আমিন, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে রবিউল হাসান, জনতার দল থেকে কলম প্রতীকে মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে আহমদ কবির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ জুলফিকার আলী মান্নান ও স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকে জিন্নাত আকতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে এল. কে. সিদ্দিকী, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এ. বি. এম. আবুল কাশেম, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে এল. কে. সিদ্দিকী ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-৩ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮০): জেলার সন্দ্বীপ উপজেলা নিয়ে চট্টগ্রাম-৩ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ২,৬০,৪৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৩৪,৭২০, নারী ১,২৫,৭৬৩ ও হিজড়া ভোটার ২ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মুহাম্মদ আলা উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মাদ আমজাদ হোসেন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মো. মোয়াহেদুল মাওলা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মোস্তফা কামাল পাশা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৩ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মুস্তাফিজুর রহমান, ১৯৯৬ সালেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মুস্তাফিজুর রহমান, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মুস্তফা কামাল পাশা ও ২০০৮ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মুস্তফা কামাল পাশা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-৪ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮১): জেলার সীতাকুন্ড উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ০৯ ও ১০ নং ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-৪ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৪,৪৮,৩৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৩৫,৩৫২, নারী ২,১৩,০১৬ ও হিজড়া ভোটার ১২ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে মো. মছিউদদৌলা, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি থেকে বই প্রতীকে মো. জাকারিয়া খালেদ, গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীকে জাহিদুল আলম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আনোয়ার ছিদ্দিক, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বি.এস.পি) থেকে একতারা প্রতীকে মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. দিদারুল মাওলা, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে এ টি এম পারভেজ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে মো. সিরাজুদ্দৌলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সৈয়দ নজিবুল বশার মাইজভান্ডারী, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে রফিকুল আনোয়ার, ২০০১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে রফিকুল আনোয়ার ও ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-৫ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮২): জেলার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ০১ ও ০২ নং ওয়ার্ড এবং হাটহাজারী উপজেলা নিয়ে চট্টগ্রাম-৫ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৫,০১,৯১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৬০,৯০৩, নারী ২,৪১,০১২ ও হিজড়া ভোটার ১ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মতি উল্লাহ নূরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে চেয়ার প্রতীকে মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে রিক্সা প্রতীকে মো. নাসির উদ্দীন, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন রিয়াদ ও বাংলাদেশ লেবার পার্টি থেকে আনারস প্রতীকে মো. আলা উদ্দিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এ. বি. এম. ফজলে করিম চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-৬ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮৩): জেলার রাউজান উপজেলা নিয়ে চট্টগ্রাম-৬ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৩৩৯৯৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৭৮৯৭১ ও নারী ভোটার ১৬১০১৭ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীকে নাছির উদ্দীন তালুকদার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. শাহাজাহান মঞ্জু, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে মোহাম্মদ ইলিয়াছ নূরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ আসনে ১৯৯১ সালে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, ২০০১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এ. বি. এম. ফজলে করিম চৌধুরী ও ২০০৮ সালেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এ. বি. এম. ফজলে করিম চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-৭ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮৪): জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলা এবং বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৭ আসনটি। এই আসনে মোট ভোটার ৩,১৯,০০৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৬৭,৫৩১, নারী ১,৫১,৪৭৬ ও হিজড়া ভোটার ১ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. মেহেদী রাসেদ, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো. বেলাল উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে আবদুল্লাহ আল হারুন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে হুমাম কাদের চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে মুহাম্মদ ইকবাল হাছান, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) থেকে ঈগল প্রতীকে মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে প্রমোদ বরন বড়ুয়া ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এ টি এম রেজাউল করিম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে মো. ইউসুফ, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-৮ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮৫): চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩নং পাঁচলাইশ, ৪নং চান্দগাঁও, ৫নং মোহরা, ৬নং পূর্ব ষোলশহর ও ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড, বোয়ালখালী পৌরসভা এবং বোয়ালখালী উপজেলার কধুরখীল ইউনিয়ন, পশ্চিম গোমদণ্ডী ইউনিয়ন, শাকপুরা ইউনিয়ন, সারোয়াতলী ইউনিয়ন, পোপাদিয়া ইউনিয়ন, চরণদ্বীপ ইউনিয়ন, আমুচিয়া ইউনিয়ন ও আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন নিয়ে চট্টগ্রাম-৮ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৫,৫৪,৭২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৮২,৬০৬ ও নারী ভোটার ২,৭২,১২২ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে এরশাদ উল্লাহ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে মোহাম্মদ এমদাদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ নুরুল আলম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আবু নাছের, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে সৈয়্যদ মুহাম্মদ হাসান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে খালেদা জিয়া, ১৯৯১ সালে উপ-নির্বাচন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ২০০৮ সালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল থেকে মইন উদ্দীন খান বাদল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-৯ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮৬): চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪ ও ৩৫ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-৯ আসনটি। এই আসনে মোট ভোটার ৪,১৬,৩৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,১৩,৯০৬, নারী ২,০২,৪৪৮ ও হিজড়া ভোটার ৯ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে নাগরিক ঐক্য থেকে কেটলি প্রতীকে মো. নুরুল আবছার মজুমদার, গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীকে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ, জনতার দল থেকে কলম প্রতীকে মো. হায়দার আলী চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে আব্দুস শুক্কুর, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে তারা প্রতীকে আবদুল মোমেন চৌধুরী, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে চেয়ার প্রতীকে মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ডা, এ কে এম ফজলুল হক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে মো. শফি উদ্দিন কবির ও ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসনে ১৯৯১ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আবদুল্লাহ আল নোমান, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এম এ মান্নান, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আবদুল্লাহ আল নোমান ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নুরুল ইসলাম বিএসসি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-১০ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮৭): চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ০৮, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ২৪, ২৫ ও ২৬ নং ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-১০ আসনটি গঠিত। মোট ভোটার ৪,৯২,৪৪৪ জন। এ মধ্যে পুরুষ ২,৪৯,৭৮৪, নারী ২,৪২,৬৩১ ও হিজড়া ভোটার ২৯ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মোহাম্মদ আরমান আলী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে আসমা আকতার, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে চেয়ার প্রতীকে মো. লিয়াকত আলী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সাঈদ আল নোমান, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মোহামমদ এমদাদ হোসাইন চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে সাবিনা খাতুন, বাংলাদেশ লেবার পার্টি থেকে আনারস প্রতীকে মো. ওসমান গনি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী ও ইসলাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসনে ১৯৯১ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সিরাজুল ইসলাম, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোরশেদ খান, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোরশেদ খান ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এম. আবদুল লতিফ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-১১ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮৮): চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪১ নং ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-১১ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৪,৯৫,২৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৫২,৩৩৩, নারী ২,৪২,৯৪২ ও হিজড়া ভোটার ৩ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. নুর উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন, স্বতন্ত্র সূর্যমুখী ফুল থেকে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর ভূঁইয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ শফিউল আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে দীপা মজুমদার, গণফোরাম থেকে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে উজ্জল ভৌমিক, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে আবু তাহের, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে চেয়ার প্রতীকে মুহাম্মদ আবু তাহের, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মই প্রতীকে মো. নিজামুল হক আল কাদেরী, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে মো. আজিজ মিয়া ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১৯৯১ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে শাহ নেওয়াজ চৌধুরী মন্টু, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে গাজী মো. শাহজাহান, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে গাজী মো. শাহজাহান ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে শামসুল হক চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-১২ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৮৯): জেলার পটিয়া উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে চট্টগ্রাম-১২ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৩,৫২,৬৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৮৪,২৫৪, নারী ১,৬৮,৪৪০ ও হিজড়া ভোটার ১ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মোহাম্মদ এনামুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ ফরিদুল আলম, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন,ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে মোহাম্মদ আবু তালেব হেলালী, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি থেকে ছাতা প্রতীকে এম. এয়াকুব আলী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে ছৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে এস,এম,বেলাল নুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ আসনে ১৯৯১ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু, ১৯৯৬ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সারওয়ার জামাল নিজাম, ২০০১ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সারওয়ার জামাল নিজাম ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-১৩ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৯০): জেলার আনোয়ারা উপজেলা এবং কর্ণফুলি উপজেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১৩ আসনটি। এই আসনে মোট ভোটার ৩,৯৫,২৪৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,০৭,৭১৪ ও নারী ভোটার ১,৮৭,৫৩২ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো. মুজিবুর রহমান চৌং, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন -এনডিএম থেকে সিংহ প্রতীকে মোহাম্মদ এমরান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে মু. রেজাউল মোস্তফা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সরওয়ার জামাল নিজাম, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে আবদুর রব চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মাহমুদুল হাসান ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে এস, এম, শাহজাহান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে অলি আহমেদ, ১৯৯৬ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে অলি আহমেদ, ১৯৯৬ সালে উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মমতাজ বেগম, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে অলি আহমেদ ও ২০০৮ সালে আবারও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে অলি আহমদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-১৪ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৯১): জেলার চন্দনাইশ উপজেলা এবং সাতকানিয়া উপজেলার কেঁওচিয়া ইউনিয়ন, কালিয়াইশ ইউনিয়ন, বাজালিয়া ইউনিয়ন, ধর্মপুর ইউনিয়ন, পুরানগড় ইউনিয়ন ও খাগরিয়া ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম-১৪ আসনটি। বর্তমান সীমানাটি ২০১৩ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন পুনঃনির্ধারণ করে। এই আসনে মোট ভোটার ৩,১৩৫১৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৬৫,৮৪৭, নারী ১,৪৭,৬৬৫ ও হিজড়া ভোটার ১ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি থেকে ছাতা প্রতীকে ওমর ফারুক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে আলহাজ্ব জসীম উদ্দীন আহমেদ, স্বতন্ত্র মোটর সাইকেল প্রতীকে শফিকুল ইসলাম রাহী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ আবদুল হামিদ, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে মৌ. মো. সোলাইমান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে এইচ. এম. ইলিয়াছ ও জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মোহাম্মদ বাদশা মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে শাহজাহান চৌধুরী, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে অলি আহমেদ, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে শাহজাহান চৌধুরী ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে শামসুল ইসলাম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-১৫ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৯২): জেলার লোহাগাড়া উপজেলা এবং সাতকানিয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসনটি গঠিত। বর্তমান সীমানাটি ২০১৩ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন পুনঃনির্ধারণ করে। সাতকানিয়া উপজেলার অন্তর্ভুক্ত ইউনিয়নগুলো হলো: ১নং চরতী, ৩নং নলুয়, ৪নং কাঞ্চনা, ৫নং আমিলাইশ, ৬নং এওচিয়া, ৭নং মাদার্শা, ৮নং ঢেমশা, ৯নং পশ্চিম ঢেমশা, ১৫নং ছদাহা, ১৬নং সাতকানিয়া ও ১৭নং সোনাকানিয়া। মোট ভোটার ৫,০৬,০৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৭০,৯১৫ ও নারী ভোটার ২,৩৫,১৪৪ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাত্র ৩ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নাজমুল মোস্তফা আমীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে শরীফুল আলম চৌধুরী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শাহজাহান চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সুলতানুল কবির চৌধুরী, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ও ২০০৮ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
চট্টগ্রাম-১৬ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-২৯৩): জেলার বাঁশখালী উপজেলা নিয়ে চট্টগ্রাম-১৬ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৪,১১,২৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,১৯,৯৮২, নারী ১,৯১,২৮৭ ও হিজড়া ভোটার ৫ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে চেয়ার প্রতীকে আব্দুল মালেক, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মোহাম্মদ লেয়াকত আলী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকে এহছানুল হক, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো. আরিফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে হাফেজ রুহুল্লাহ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী ও ২০১৮ সালেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে