Views Bangladesh Logo

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এবার ভোটের লড়াই জমে উঠেছে। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় এবার নতুন করে ভোটের হিসাব করছে জেলাবাসী। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলায় মূলত বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা থাকলেও লড়াইতে চমক দেখাতে পারে জাতীয় পার্টিও। এক নজরে দেখে আসি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ের চিত্র।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১(সংসদীয় আসন ২৪৩):
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭৫,৬২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪৬,২৬৯ জন, নারী ভোটার ১২৯,৩৫৭ জন এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন।

প্রার্থী :
এ আসনের জন্য মোট আটজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন: ইকবাল চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলার ছড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এ, কে, এম কামরুজ্জামান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ভোটে রয়েছেন। মোঃ শরীফ মৃধা ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। হুসাইন আহমদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ, কে, এম, আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন। মো: শাহ আলম জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। মোঃ হাবিবুর রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাঁস প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়ছেন। এম, এ, হান্নান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বি.এন.পি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে লড়াই করছেন।

এই আসনে ১৯৯১ সালে মুর্শেদ কামাল জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে নির্বাচিত হন। জুন ১৯৯৬ সালে মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ এবং ২০০৮ সালেও মোহাম্মদ ছায়েদুল হক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২(সংসদীয় আসন ২৪৪):
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪৯৯,৪৪৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৬৫,২৪৫ জন, নারী ভোটার ২৩৪,২০১ জন এবং হিজড়া ভোটার ২ জন।

প্রার্থী:
এ আসনের জন্য মোট নয়জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন: এ্যাডঃ মোঃ জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এস এন তরুণ দে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কলার ছড়ি প্রতীক নিয়ে ভোটে রয়েছেন। তৈমুর রেজা মোঃ শাহজাদ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে তারা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। নেছার আহমদ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শরিফা আক্তার আমজনতার দল থেকে প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন। আশরাফ উদ্দীন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। মোঃ মাঈন উদ্দীন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোহাম্মদ জুনায়েদ আল হাবীব জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ থেকে খেজুর গাছ প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়ছেন। রুমিন ফারহানা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে লড়াই করছেন।

এই আসনে ১৯৯১ সালে আবদুস সাত্তার ভূঞা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত হন। জুন ১৯৯৬ সালে পুনরায় আবদুস সাত্তার ভূঞা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে ফজলুল হক আমিনী ইসলামী ঐক্যজোট থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩(সংসদীয় আসন ২৪৫):
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা এবং বিজয়নগর উপজেলা নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা ৬২৪,৬০১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩২৮,১৮২ জন, নারী ভোটার ২৯৬,৪১৯ জন এবং হিজড়া ভোটার নেই।

প্রার্থী:
এ আসনের জন্য মোট সাতজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন: আতাউল্লাহ জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মোঃ আবু হানিফ ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীক নিয়ে ভোটে রয়েছেন। নিয়াজুল করীম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। মোঃ ওমর ইউসুফ খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হরিণ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঞা জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন। মোঃ খালেদ হোসেন মাহবুব বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বি.এন.পি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। আয়েশা আক্তার ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে চেয়ার প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে লড়াই করছেন।

এই আসনে ১৯৯১ সালে হারুন আল রশিদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত হন। জুন ১৯৯৬ সালে পুনরায় হারুন আল রশিদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালেও হারুন আল রশিদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে লুৎফুল হাই সাচ্চু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪(সংসদীয় আসন ২৪৬):
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলা ও আখাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪৪৩,৯০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৩০,৬৪৭ জন, নারী ভোটার ২১৩,২৫৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ৬ জন।

প্রার্থী :
এ আসনের জন্য মোট সাতজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন: মোঃ জসিম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মোঃ জহিরুল হক চৌধুরী গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীক নিয়ে ভোটে রয়েছেন। রফি উদ্দীন ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। মুশফিকুর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বি.এন.পি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শাহীন খান ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন। মোঃ আতাউর রহমান সরকার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। মোঃ জহিরুল হক খাঁন জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে লড়াই করছেন।

এই আসনে ১৯৯১ সালে মিয়া আব্দুল্লাহ ওয়াজেদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত হন। জুন ১৯৯৬ সালে শাহ আলম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে মুশফিকুর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে পুনরায় শাহ আলম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫(সংসদীয় আসন ২৪৭) :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪৭৪,৮২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২৪৮,৭৩৭ জন, নারী ভোটার ২২৬,০৮৫ জন এবং হিজড়া ভোটার ৪ জন।

প্রার্থী :
এ আসনের জন্য মোট আটজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন: নজরুল ইসলাম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মোহাম্মদ আশরাফুল হক ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীক নিয়ে ভোটে রয়েছেন। আমজাদ হোসাইন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে রিক্সা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। কাজী নাজমুল হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোঃ শাহীন খান বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন। মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। মোঃ আব্দুল মান্নান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি) থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। নাহিদা জাহান গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এই আসনে ১৯৯১ সালে কাজী মো. আনোয়ার হোসেন জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হন। জুন ১৯৯৬ সালে আব্দুল লতিফ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে পুনরায় কাজী মো. আনোয়ার হোসেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে শাহ জিকরুল আহমাদ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(সংসদীয় আসন ২৪৮):
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা এবং নবীনগর উপজেলার বড়কান্দি ও ছলিমগঞ্জ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮৯,৬৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪৭,২৬০ জন, নারী ভোটার ১৪২,৪১৩ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ জন।

প্রার্থী :
এ আসনের জন্য মোট দশজন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন: মোঃ মহসীন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। মোঃ সফিকুল ইসলাম ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতীক নিয়ে ভোটে রয়েছেন। সাইদউদ্দিন খাঁন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে রয়েছেন। মোঃ হাবিবুর রহমান ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সফিকুল ইসলাম গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীক নিয়ে ভোটে অংশ নিচ্ছেন। মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। কে, এম, জাবির জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে তারা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোহাম্মদ আবু কায়েস সিকদার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে ভোটে লড়ছেন। মোঃ আবু নাসের বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে রয়েছেন। ডঃ মোঃ সাইদুজ্জামান কামাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হরিণ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী ময়দানে লড়াই করছেন।

এই আসনে ১৯৯১ সালে এ. টি. এম. ওয়ালী আশরাফ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত হন। জুন ১৯৯৬ সালে এ. বি. তাজুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে আব্দুল খালেক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে পুনরায় এ. বি. তাজুল ইসলাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ