Views Bangladesh Logo

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: টাঙ্গাইল জেলা

সন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল জেলায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা থাকলেও লড়াইতে চমক দেখাতে পারে জাতীয় পার্টিও। এক নজরে দেখে আসি টাঙ্গাইল জেলার ৮টি আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ের চিত্র।

টাঙ্গাইল -১(সংসদীয় আসন ১৩০): 
টাঙ্গাইল-১ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলা ও ধনবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে পর্যন্ত মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৪৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ১৬ হাজার ৭ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ২১ হাজার ৪২৪ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন ২ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রার্থী ছয়জন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মুহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো: হারুন অর রশিদ, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ফকির মাহবুব আনাম, স্বতন্ত্র থেকে মোটর সাইকেল প্রতীকে মোহাম্মদ আলী এবং স্বতন্ত্র থেকে তালা প্রতীকে মো: আসাদুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসান চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছরের জুনে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনে আবারও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে আবুল হাসান চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিজয়ী হন। সর্বশেষভাবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের নির্বাচনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইল -২(সংসদীয় আসন ১৩১): 
টাঙ্গাইল-২ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলা ও ভূঞাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৮ হাজার ৬০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার ৪২২ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ১৮৩ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন ১ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রার্থী চার জন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো: হুমায়ুন কবীর তালুকদার, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো: আব্দুস সালাম পিন্টু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাড়িপাল্লা প্রতীকে মো: হুমায়ুন কবীর এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো: মনোয়ার হাসান সাগর হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আব্দুস সালাম পিন্টু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী খন্দকার আসাদুজ্জামান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আব্দুস সালাম পিন্টু বিজয়ী হন। সর্বশেষভাবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী খন্দকার আসাদুজ্জামান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইল -৩ (সংসদীয় আসন ১৩২): 
টাঙ্গাইল-৩ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৬৪ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৯০ হাজার ৮৫৩ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন ৩ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রার্থী পাঁচ জন। এর মধ্যে এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে সাইফুল্লাহ হায়দার, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে এস এম ওবায়দুল হক, স্বতন্ত্র থেকে মোটরসাইকেল, হাঁস প্রতীকে আইনিন নাহার এবং মো: লুৎফুর রহমান খান আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে লুৎফর রহমান খান আজাদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আবারও লুৎফর রহমান খান আজাদ বিজয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে পুনরায় লুৎফর রহমান খান আজাদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষভাবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী মতিউর রহমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইল -৪(সংসদীয় আসন১৩৩): 
টাঙ্গাইল-৪ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৯৪২ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭২ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন ৩ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রার্থী ছয় জন প্রার্থী। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো:লিয়াকত আলী, স্বতন্ত্র থেকে হাস এবং মোটর সাইকেল প্রতীকে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, মো: হালিম মিঞা, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো: লুৎফুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে আলী আমজাদ হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (সিরাজ) থেকে শাহজাহান সিরাজ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বিজয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে শাহজাহান সিরাজ আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষভাবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বিজয়ী হন।

টাঙ্গাইল -৫ (সংসদীয় আসন ১৩৪): 
টাঙ্গাইল-৫ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৪১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৩১ হাজার ৩০৩ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ১০৮ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রার্থী দশ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে ডাব প্রতীকে এ কে এম শফিকুল ইসলাম, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো: মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আহছান হাবিব, স্বতন্ত্র থেকে হরিণ প্রতীকে মো: ফরহাদ ইকবাল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল থেকে তারা প্রতীকে সৈয়দ খালেকুজ্জামান মোস্তাফা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে খন্দকার জাকির হোসেন, গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীকে ফাতেমা আক্তার, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে মো: শফিকুল ইসলাম এবং বিএসপি থেকে একতারা প্রতীকে মো:হাসরত খান ভাসানী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


জুন ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মান্নান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মাহমুদুল হাসান বিজয়ী হন। সর্বশেষভাবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে আবুল কাশেম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইল -৬(সংসদীয় আসন ১৩৫): 
টাঙ্গাইল-৬ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলা ও নাগরপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭৫ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন ৪ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রার্থী সাত জন। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো: আখিনুর মিয়া, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মোহাম্মদ মামনুর রহিম, জাতীয় পার্টি(জেপি) থেকে বাইসাইকেল প্রতীকে তারেক শামস খান, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো:রবিউল আওয়াল, স্বতন্ত্র থেকে মোরগ ও হরিণ প্রতীকে মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম এবং মো:জুয়েল সরকার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাড়িপাল্লা প্রতীকে এ কে এম আবদুল হামিদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে খন্দকার আবু তাহের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গৌতম চক্রবর্তী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে পুনরায় গৌতম চক্রবর্তী বিজয়ী হন। সর্বশেষভাবে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আবদুল বাতেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

টাঙ্গাইল-৭(সংসদীয় আসন ১৩৬): 
টাঙ্গাইল-৭ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭১ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৬০ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন ৬ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রার্থী তিনজন। এর মধ্যে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) থেকে হাতি প্রতীেক মো: তোফাজ্জল হোসেন, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে খন্দকার বদর উদ্দিন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে একই দলের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বিজয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একাব্বর হোসেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে পুনরায় তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।

টাঙ্গাইল -৮ (সংসদীয় আসন ১৩৭): 
টাঙ্গাইল-৮ আসনটি টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলা ও সখিপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮২৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ৬ হাজার ৬২৩ জন এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার ১৯৮ জন। এছাড়া, হিজড়া ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন ৫ জন।

প্রার্থী: 
আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট প্রাথী ছয় জন্। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো:নাজমুল হাসান, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে কোদাল প্রতীকে আওয়াল মাহমুদ, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে আহমেদ আযম খান, আমজনতার দল থেকে প্রজাপতি প্রতীকে মো:আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো: শফিকুল ইসলাম খান এবং স্বতন্ত্র থেকে হরিণ প্রতীকে সালাউদ্দিন আলমগীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।


১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে হুমায়ুন খান পন্নী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুল কাদের সিদ্দিকী বিজয়ী হন। ১৯৯৯ সালের উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শওকত মোমেন শাহজাহান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, যেখানে আবদুল কাদের সিদ্দিকী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে পুনরায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত মোমেন শাহজাহান বিজয়ী হন।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ