ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: বগুড়া জেলা
বগুড়া বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের একটি শহর। এই জেলাতে মোট আসন ৭ টি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকেই পুরো জেলায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে।
বগুড়া -১ (সংসদীয় আসন ৩৬) : বগুড়া-১ আসনটি বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা ও সোনাতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৬৯ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৫৮২ জন এবং হিজড়া ভোটার ৪ জন।
প্রার্থী: আসন্ন নির্বাচনে এই মোট প্রার্থী পাঁচ জন। নির্বাচনে বিএনপি থেকে কাজী রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো: শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে মো: আসাদুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে এ বি এন মোস্তাফা কামাল পাশা, গণফোরাম থেকে মো: জুলফিকার আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এই আসনে ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবদুল মোমিন মণ্ডল টানা দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী হাবিবুর রহমান বিজয়ী হন। পরবর্তী ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ এবং একই বছরের জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনেও তিনি বিএনপির হয়ে আসনটি ধরে রাখেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মান্নান বিজয়ী হন এবং তিনি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৫ জুলাই ২০২০ অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহাদারা মান্নান শিল্পী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি পুনরায় বিজয়ী হয়ে আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে রাখেন।
বগুড়া-২(সংসদীয় আসন ৩৭) : বগুড়া-২ আসনটি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ২৬ হাজার ২৩০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৪৯৮ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৭২৯ জন এবং হিজড়া ভোটার ৩ জন।
প্রার্থী: আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো জামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান, জাতীয় পার্রি থেকে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, স্বতন্ত্র থেকে মো রেজাউল করিম তালু, নাগরিক ঐক্য থেকে মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপি থেকে মীর শাহে আলম, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে মো সেলিম সরকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১৯৮৬ সালের নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী মোজাফফর হোসেন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ ফ্রিডম পার্টির প্রার্থী সৈয়দ মাসকুরুল আলম চৌধুরী জয় লাভ করেন।
১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহাদাত-উজ-জামান বিজয়ী হন। পরবর্তী ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী রেজাউল বারী ডিনা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একই বছরের জুনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির এ কে এম হাফিজুর রহমান আসনটি দখল করেন। ২০০১ সালের নির্বাচনে পুনরায় বিএনপির রেজাউল বারী ডিনা বিজয়ী হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির এ কে এম হাফিজুর রহমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪, ২০১৮ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ টানা তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
বগুড়া -৩ (সংসদীয় আসন ৩৮) : বগুড়া-৩ আসনটি বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলা ও দুপচাঁচিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ০৭৩ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬১ জন এবং হিজড়া ভোটার ২ জন।
প্রার্থী: আসন্ন নির্বাচনে এই আসন থেকে মোট চারজন প্রার্থী নির্বাচন করবেন৷ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মো আব্দুল মহিত তালুকদার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে নূর মোহাম্মদ, জাতীয় পার্টি থেকে মো শাহিনুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো শাহজাহান আলী তালুকদার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এ বি এম শাহজাহান টানা দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রার্থী আব্দুল মজিদ তালুকদার বিজয়ী হন। পরবর্তী ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির মো গোলাম মাওলা আসনটি দখল করেন। ১৯৯৬ সালের জুন নির্বাচনে আবারও বিএনপির আব্দুল মজিদ তালুকদার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির আব্দুল মোমেন তালুকদার টানা দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির নূরুল ইসলাম তালুকদার বিজয়ী হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী খাঁন মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ আল মেহেদী বিজয়ী হয়ে আসনটি দখল করেন।
বগুড়া-৪ ( সংসদীয় আসন ৩৯): বগুড়া-৪ আসনটি বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলা ও নন্দীগ্রাম উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৩৩৭ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৩ হাজার ১৭৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ৬ জন।
প্রার্থী: আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট চারজন প্রার্থী নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে বিএনপি থেকে মো মোশারফ হোসেন, জাতীয় পার্টি থেকে শাহীন মোস্তফা কামাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মুহা ইদ্রিস আলী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো মোস্তফা ফয়সাল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ১৯৮৬ সালে মামদুদুর রহমান চৌধুরী জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯১ সালে আজিজুল হক মোল্লা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে উপনির্বাচনে জিয়াউল হক মোল্লা বিএনপি থেকে আসন দখল করেন। তিনি পরবর্তী ফেব্রুয়ারি ও জুন ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে পুনরায় বিজয়ী হন। ২০০১ সালে আবারও জিয়াউল হক মোল্লা বিএনপি থেকে জয়লাভ করেন। ২০০৮ সালে জেড. আই. এম. মোস্তফা আলী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল থেকে বিজয়ী হন। ২০১৮ সালে মোশারফ হোসেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন। ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে এবং ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে এ কে এম রেজাউল করিম তানসেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল থেকে পুনরায় জয়ী হন।
বগুড়া-৫ ( সংসদীয় আসন ৪০): বগুড়া-৫ আসনটি বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলা ও ধুনট উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫,৪০,০৬৩। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ২,৬৫,১৬৬, নারী ভোটার ২,৭৪,৮৯৪, এবং হিজড়া ভোটার ৩।
প্রার্থী: আসন্ন নির্বাচনে এই আসন থেকে মোট পাঁচজন প্রার্থী নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে এলডিপি থেকে খান কুদরত-ই-সাকরাইন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো দবিবুর রহমান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে শিপন কুমার রবিদাস, বিএনপি থেকে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মীর মো মাহমুদুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১৯৮৬ সালে ফেরদৌস জামান মুকুল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। পরবর্তী ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে এই সীটটি দখল করেন জাতীয় পার্টির শাহজাহান আলী তালুকদার। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ নির্বাচিত হন এবং ফেব্রুয়ারি ও জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে একই প্রার্থী পুনরায় জয়ী হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বিএনপির হয়ে বিজয়ী হন। ২০০৮ সালে হাবিবর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেন এবং ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনবারের জন্য একই প্রার্থী পুনঃনির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে এই সীটে বিজয়ী হন মজিবর রহমান মজনু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী।
বগুড়া-৬ (সংসদীয় আসন ৪১): বগুড়া-৬ আসনটি বগুড়া জেলার বগুড়া সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,২৮,০৪৬। এর মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২,১০,৬৬৯ এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২,১৭,৩৭১। এছাড়াও, হিজড়া ভোটারের সংখ্যা রয়েছে ২২,২১৭।
প্রার্থী: আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট পাঁচ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনে বিএনপি থেকে তারেক রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো আবিদুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে আবু নুমান মো মামুনুর রশিদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) থেকে দিলরুবা টবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে আব্দুল্লাহ -আল- ওয়াকি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
১৯৮৬ সালে আবদুর রহমান ফকির বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বিজয়ী হন। ১৯৮৮ সালে সাইফুর রহমান ভান্ডারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করেন। ১৯৯১ সালে মজিবর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে পুনরায় জয়ী হন। জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া বিএনপি থেকে বিজয়ী হন। একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে জহুরুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে নির্বাচিত হন। ২০০১ ও ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া বিএনপি থেকে বিজয়ী হন। ২০০৯ সালের উপ-নির্বাচনে জমির উদ্দিন সরকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের হয়ে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে নূরুল ইসলাম ওমর জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-র হয়ে জয়ী হন। ২০১৮ সালে মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন এবং ২০১৯ সালের উপ-নির্বাচনে জিএম সিরাজ বিএনপির হয়ে জয়ী হন। সর্বশেষ, ২০২৩ সালের উপ-নির্বাচন ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে রাগেবুল আহসান রিপু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।
বগুড়া -৭ ( সংসদীয় আসন ৪২) : বগুড়া-৭ আসনটি বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলা ও শাজাহানপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,১২,২৬৫। এর মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ২,৫৭,২৭৭ এবং নারী ভোটারের সংখ্যা ২,৫৪,৯৮৬। এছাড়াও, হিজড়া ভোটারের সংখ্যা রয়েছে ২।
প্রার্থী: আসন্ন নির্বাচনে এই আসনে মোট চারজন প্রার্থী নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে বিএনপি থেকে মোরশেদ মিলটন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে মো গোলাম রব্বানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো শফিকুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে মো আনছার আলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ১৯৮৬ সালে আমিনুল ইসলাম সরকার জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন। ১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারিতে খালেদা জিয়া বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন, তবে সেই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন। ফেব্রুয়ারি ও জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া পুনরায় বিএনপি থেকে জয়ী হন। ১৯৯৬ সালের উপ-নির্বাচনে আবারও হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু নির্বাচিত হন। অক্টোবর ২০০১ সালে খালেদা জিয়া এবং নভেম্বর ২০০১ সালের উপ-নির্বাচনে হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বিএনপি থেকে বিজয়ী হন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়া বিএনপি থেকে জয়লাভ করেন। ২০০৯ সালের উপ-নির্বাচনে মওদুদ আহমেদ একই দলের হয়ে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে মুহম্মাদ আলতাফ আলী জাতীয় পার্টি (এরশাদ)-র হয়ে জয়ী হন। ২০১৮ সালে রেজাউল করিম বাবলু স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে মোস্তফা আলম নান্নু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে