ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোলা জেলা
ভোলা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগেরএকটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এটি দ্বীপ জেলা ভোলা নামেও সর্বাধিক পরিচিত। দেখে নেয়া যাক ভোলা জেলার ৪টি নির্বাচনী আসনের চিত্র।
ভোলা-১ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১১৫): জেলার ভোলা সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত ভোলা-১ আসনটি।
প্রার্থী: অসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি থেকে গরুর গাড়ী প্রতীকে আন্দালিভ রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতীকে মো মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো নজরুল ইসলাম, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে চেয়ার প্রতীকে মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো ওবায়দুর রহমান, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো আকবর হোসাইন ও গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো আইনুর রহমান (জুয়েল ) মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তোফায়েল আহমেদ, ১৯৯৬ সালে শুন্য, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোশারেফ হোসেন শাহজাহান ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ভোলা-২ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১১৬): জেলার দৌলতখান উপজেলা ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা নিয়ে গঠিত ভোলা-২ আসনটি।
প্রার্থী: অসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মোঃ হাফিজ ইব্রাহিম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি থেকে ছাতা প্রতীকে মোকফার উদ্দিন চৌধুরী, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে তাছলিমা বেগম, আমজনতার দল থেকে প্রজাপতি প্রতীকে মো আলা উদ্দিন, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে অ্যাডভোকেট মো জাহাঙ্গীর আলম রিটু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ ফজলুল করিম, স্বতন্ত্র মোটর সাইকেল প্রতীকে মো জাকির হোসেন খন্দকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-২ আসনে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তোফায়েল আহমেদ, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তোফায়েল আহমেদ, ১৯৯১ সালে উপ-নির্বাচন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোশাররফ হোসেন শাহজাহান, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তোফায়েল আহমেদ, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে হাফিজ ইব্রাহিম ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তোফায়েল আহমেদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ভোলা-৩ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১১৭): ভোলা জেলার তজমুদ্দিন উপজেলা ও লালমোহন উপজেলা নিয়ে গঠিত ভোলা-৩ আসনটি।
প্রার্থী: অসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাত পাখা প্রতীকে মো মোসলেহ উদ্দীন, পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো কামাল উদ্দিন ও গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মোঃ আবু তৈয়ব প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৩ আসনে ১৯৯১ সালে স্বতন্ত্র হিসেবে হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ, ১৯৯১ স্বতন্ত্র হিসেবে হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জসিম উদ্দিন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ভোলা-৪ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১১৮): জেলার মনপুরা উপজেলা ও চরফ্যাশন উপজেলা নিয়ে ভোলা-৪ আসনটি গঠিত।
প্রার্থী: অসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো মিজানুর রহমান, আমজনতার দল থেকে প্রজাপতি প্রতীকে মো জালাল উদ্দীন রুমী, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন -এনডিএম থেকে সিংহ প্রতীকে আবুল কালাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে আবুল মোকাররম মো কামাল উদ্দীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-৪ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এম. এম. নজরুল ইসলাম, ১৯৯২ সালে উপ-নির্বাচন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাফর উল্যাহ চৌধুরী, ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নাজিম উদ্দিন আলম ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে