ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ঢাকা জেলা
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানী শহরসহ পুরো ঢাকা জেলার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। আসন সংখ্যার দিক থেকে যেমন এই জেলার অবস্থান সবার উপরে তেমনি দেশের রাজধানী শহর এই জেলায় হওয়ায় যেকোনো দলের কাছে ঢাকা বিশেষভাবে প্রধান্য পায়। বিগত নির্বাচনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যে দল এই জেলায় বেশি আসন পায় তারাই সরকার গঠন করে। রাজধানীতে দেশের সব অঞ্চলের মানুষ বসবাস করে। সেই সূত্রে এখানকার ভোটারও দেশের সব অঞ্চলের। রাজধানীর ভোটাররা তুলনামূলক বেশি রাজনৈতিক সচেতন ও শিক্ষিত হওয়ায় এখানে কোনো দলের সবসময় একছত্র আধিপত্য দেখা যায়নি। বিগত নির্বাচনগুলোর (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন ছাড়া) ফলাফল থেকে দেখা গেছে ঢাকায় একেক নির্বাচনে একেক দল ভালো করেছে। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ না থাকায় এবার নতুন করে ভাবছে রাজধানীসহ পুরো ঢাকা জেলার ভোটাররা। এক নজরে দেখে নেয়া যাক ঢাকার ২০টি আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ের চিত্র।
ঢাকা-১ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৭৪): জেলার দোহার উপজেলা ও নবাবগঞ্জ উপজেলা নিয়ে ঢাকা-১ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৫,৪৫,১৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৭৬,০৫০, নারী ২,৬৯,০৮৫ ও হিজড়া ভোটার ৫ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে খোন্দকার আবু আশফাক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতকে নুরল ইসলাম, বাংলাদেশ লেবার পার্টি থেকে আনারস প্রতীকে শেখ মো. আলী ও স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকে অন্তরা সেলিমা হুদা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নাজমুল হুদা, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নাজমুল হুদা, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নাজমুল হুদা ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে আব্দুল মান্নান খান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-২ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৭৫): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কেরানীগঞ্জ উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন (তারানগর, কলাতিয়া, হযরতপুর, রুহিতপুর, শাক্তা, কালিন্দী, ও বাস্তা) এবং সাভার উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন (আমিনবাজার ইউনিয়ন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন ও ভাকুর্তা ইউনিয়ন) নিয়ে ঢাকা-২ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৪,১৯,২১৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,১৭,৯০৮, নারী ২,০১,২৯৮ ও হিজড়া ভোটার ৯ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মাত্র ৩ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. আমানউল্লাহ আমান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আব্দুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২ আসনে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে বোরহান উদ্দিন খান, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আব্দুল মান্নান ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আব্দুল মান্নান, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আব্দুল মান্নান ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে কামরুল ইসলাম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-৩ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৭৬): জেলার কেরানিগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা ও শুভাঢ্যা এই ৫টি ইউনিয়ন নিয়ে ঢাকা-৩ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৩,৬২,১৫৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৮৪,৯৭১, নারী ১,৭৭,১৮৪ ও হিজড়া ভোটার ৪ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মো. মনির হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. ফারুক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. সুলতান আহাম্মদ খাঁন, গণফোরাম থেকে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মই প্রতীকে মজিবুর হাওলাদার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. শাহীনুর ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীকে মো. বাচ্চু ভুঁইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে ডাব প্রতীকে মোহাম্মদ জাফর ও গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো. সাজ্জাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৩ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আমানউল্লাহ আমান, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আমানউল্লাহ আমান, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আমানউল্লাহ আমান ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নসরুল হামিদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-৪ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৭৭): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৭, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৮, ৫৯, ৬০ ও ৬১ নং ওয়ার্ড এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন শ্যামপুর থানা, কদমতলী থানা নিয়ে ঢাকা-৪ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৩,৬২,৫০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৮৬,৪৬৭, নারী ১,৭৬,০৩৪ ও হিজড়া ভোটার ৫ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে জনতার দল থেকে কলম প্রতীকে মো. আবুল কালাম আজাদ, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে সৈয়দ মোঃ মোসাদ্দেক বিল্লাহ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে তানভীর আহমেদ, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) থেকে ছড়ি প্রতীকে সাহেল আহম্মেদ সোহেল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে মোহাম্মদ ফিরোজ আলম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মই প্রতীকে মো. জাকির হোসেন ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সৈয়দ জয়নুল আবেদীন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৪ আসনে ১৯৮৬ সালে স্বতন্ত্র হিসেবে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সালাহ উদ্দিন আহমেদ, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে হাবিবুর রহমান মোল্লা, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সানজিদা খানম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-৫ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৭৮): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৮,৪৯,৫০,৬২,৬৩,৬৪,৬৫,৬৬,৬৭,৬৮,৬৯ ও ৭০ নং ওয়ার্ড (যাত্রাবাড়ী, ডেমরা) নিয়ে ঢাকা-৫ আসন গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৪,১৯,৯৯৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,১৪,৫৯৪, নারী ২,০৫,৩৯৭ ও হিজড়া ভোটার ৫ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে তোফাজ্জল হোসেন মোস্তফা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) থেকে ছড়ি প্রতীকে মো. তাইফুর রহমান রাহী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে শাহিনুর আক্তার সুমি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. ইবরাহীম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি থেকে মো. হুমায়ুন কবির, জাতীয় পার্টি (জেপি) থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মীর আব্দুস সবুর, বাংলাদেশ লেবার পার্টি থেকে আনারস প্রতীকে মো. গোলাম আজম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. নবী উল্লা ও বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে ডাব প্রতীকে মো. সাইফুল আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৫ আসনে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এ.কে.এম. রহমতুল্লাহ, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে দলটির সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া, ১৯৯১ সালে উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এ.কে.এম. রহমতুল্লাহ, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে হাবিবুর রহমান মোল্লা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-৬ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৭৯): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৩৪, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪, ৪৫ ও ৪৬ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-৬ আসনটি। যার অন্তর্ভুক্ত থানাগুলো হচ্ছেঃ সূত্রাপুর, ওয়ারী, গেন্ডারিয়া, কোতয়ালী আংশিক অংশ। সীমানাঃ পূর্বে- গেন্ডারিয়া, পশ্চিমে- সিদ্দিক বাজার, উত্তরে- ফুলবাড়িয়া ও দক্ষিণে- নাজিরাবাজার। এখানকার মোট ভোটার ২,৯২,২৮৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৫২,৫১৯, নারী ১,৩৯,৭৬১ ও হিজড়া ভোটার ৩ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে গণফ্রন্ট থেকেমাছ প্রতীকে আহম্মেদ আলী শেখ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ইশরাক হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আব্দুল মান্নান, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো. ফখরুল ইসলাম, বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে ডাব প্রতীকে মো. ইউনুস আলী আকন্দ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকে মো. আকতার হোসেন ও জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে আমির উদ্দিন আহমেদ (ডালু) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মির্জা আব্বাস, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সাবের হোসেন চৌধুরী, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মির্জা আব্বাস ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মিজানুর রহমান খান দীপু সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-৭ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮০): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৫, ৩৬, ৫৬ ও ৫৭ নং ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-৭ আসন গঠিত। যার অন্তর্ভুক্ত থানাগুলো হচ্ছে- লালবাগ, চকবাজার, বংশাল, কামরাঙ্গীরচর আংশিক, কোতোয়ালীর আংশিক। সীমানাঃ পূর্বে- নাজিরাবাজার, পশ্চিমে- হাজারীবাগ, উত্তরে- পলাশী ও দক্ষিণে- কামরাংগীরচর। এখানকার মোট ভোটার ৪,৭৯,৩৭৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৪৮,৪৮১, নারী ২,৩০,৮৮৩ ও হিজড়া ভোটার ১২ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে মোহাম্মদ ইসহাক সরকার, জাতীয় পার্টি - জেপি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন আহম্মেদ মিলন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. এনায়াত উল্লা, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) থেকে হাতি প্রতীকে শফিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন থেকে বটগাছ প্রতীকে মো. হাবিবুল্লাহ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি থেকে কাঁঠাল প্রতীকে মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) থেকে ছড়ি প্রতীকে মাকসুদুর রহমান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে তারা প্রতীকে শাহানা সেলিম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে হামিদুর রহমান ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে সীমা দত্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সাদেক হোসেন খোকা, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সাদেক হোসেন খোকা, ২০০১ সালেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সাদেক হোসেন খোকা ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-৮ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮১): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ০৮, ০৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৯, ২০ ও ২১ নং ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-৮ আসন গঠিত। যার অন্তর্ভুক্ত থানাগুলো হচ্ছেঃ (মতিঝিল, পল্টন, শাহবাগ, শাহজাহানপুর, রমনা) নিয়ে গঠিত। মোট ভোটার ২৭৫৪৭১ জন। পুরুষ ১৫২৭৯৫, নারী ১২২৬৭৫ ও হিজড়া ভোটার ১ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে জনতার দল থেকে কলম প্রতীকে মো. গোলাম সারোয়ার, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মেঘনা আলম, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ থেকে মোটরগাড়ি (কার) প্রতীকে এ, এফ, এম, ইসমাইল চৌধুরী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা, জাতীয় পার্টি - জেপি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. জুবের আলম খান, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) ছড়ি প্রতীকে মো. রাসেল কবির, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে এ এইচ এম রাফিকুজ্জামান আকন্দ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে এস. এম. সরওয়ার, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে কেফায়েত উল্লা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে মীর শওকত আলী, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে হাজী মোহাম্মদ সেলিম, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও ২০০৮ সালে মহাজোটের প্রার্থী রাশেদ খান মেনন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-৯ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮২): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ০১, ০২, ০৩, ০৪, ০৫, ০৬, ০৭, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪ ও ৭৫ নং ওয়ার্ড তথা সবুজবাগ, খিলগাঁও, মুগদা ও মান্ডা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৯ আসন। এই আসনে মোট ভোটার ৪,৬৯,৩৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,৩৭,৬৭৩, নারী ২,৩১,৬৮২ ও হিজড়া ভোটার ৫ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে হাবিবুর রশিদ, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) থেকে টেলিভিশন প্রতীকে মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতেকে শাহীন খান, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে তাসনিম জারা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে খন্দকার মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে শাহ ইফতেখার আহসান, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে কাজী আবুল খায়ের, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে মো. মনিরুজ্জামান, গণফোরাম থেকে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে নাজমা আক্তার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে নাহিদ হাসান চৌধুরী জুনায়েদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া ও বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকে মাসুদ হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে দলটির সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া, ১৯৯১ সালের উপ-নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে জমির উদ্দিন সরকার, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মকবুল হোসেন, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে খন্দকার মাহবুব উদ্দিন আহমাদ ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সাবের হোসেন চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১০ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮৩): ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ২২ ও ৫৫ নং ওয়ার্ড তথা ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, কলাবাগান, হাজারীবাগ থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১০ আসন। এই আসনে মোট ভোটার ৩,৮৮,৬৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,০৪,৬০৪, নারী ১,৮৪,০৫০ ও হিজড়া ভোটার ৬ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে শেখ রবিউল আলম, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) থেকে হাতি প্রতীকে মো. আবু হানিফ হৃদয়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. আ. আউয়াল, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. জসীম উদ্দীন সরকার, বাংলাদেশ লেবার পার্টি থেকে আনারস প্রতীকে আবুল কালাম আজাদ, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) থেকে ঈগল প্রতীকে নাসরীন সুলতানা, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে বহ্নি বেপারী, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) থেকে ছড়ি প্রতীকে মো. আনিছুর রহমান, আমজনতার দল থেকে প্রজাপতি প্রতীকে আব্দুল্লাহ আল হুসাইন ও জনতার দল থেকে কলম প্রতীকে মো. জাকির হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা, ১৯৮৮ সালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল থেকে এ. এস. এম. আব্দুর রব, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আবদুল মান্নান, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এইচ বি এম ইকবাল, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে আবদুল মান্নান ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে একেএম রাহমতুল্লাহ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১১ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮৪): ঢাকা মেট্রোপলিটন এর বাড্ডা থানা,ভাটারা থানা, রামপুরা থানা, হাতিরঝিল থানার একাংশ এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ২১, ২২ , ২৩ ,৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১,ও ৪২ নং ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-১১ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৪,৩৯,০৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,২২,৮৭৭, নারী ২,১৬,১৯৮ ও হিজড়া ভোটার: ৩ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) থেকে ছড়ি প্রতীকে কাজী মো. শহীদুল্লাহ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতীকে মো. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) থেকে হাতি প্রতীকে মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে এম, এ, কাইয়ুম, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো. আরিফুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে শামীম আহমেদ, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে মো. নাহিদ ইসলাম, গণফোরাম থেকে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে মো. আবদুল কাদের ও স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে কহিনূর আক্তার বীথি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে হারুন রশীদ মোল্লা, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে কামাল আহমেদ মজুমদার, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে এস এ খালেক ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১২ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮৫): ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৫ ও ৩৬ নং ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-১২ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৩,৩৩,৩২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৭৪,৩৪৯, নারী ১,৫৮,৯৬৮ ও হিজড়া ভোটার ৩ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৫ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে কল্লোল বনিক, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে মোহাম্মাদ শাহজালাল, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে সাইফুল আলম নীরব, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন -এনডিএম থেকে সিংহ প্রতীকে মোমিনুল আমিন, আমজনতার দল থেকে প্রজাপতি প্রতীকে মো. তারেক রহমান, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে সরকার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে কোদাল প্রতীকে সাইফুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মাহমুদুল হাসান, জনতার দল থেকে কলম প্রতীকে ফরিদ আহমেদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে মোছা. সালমা আক্তার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. সাইফুল আলম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) থেকে ছড়ি প্রতীকে মুনতাসির মাহমুদ, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে আবুল বাশার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলন থেকে মাথাল প্রতীকে তাসলিমা আখতার ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে কাঁঠাল প্রতীকে মোহাম্মদ নাঈম হাসান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে ১৯৮৬ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সামসুদ্দোহা খান মজলিশ, ১৯৮৮ সালে সম্মিলিত বিরোধী দল থেকে আশরাফ উদ্দিন খান ইমু, ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নিয়ামত উল্লাহ, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন ও ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে শেখ ফজলে নূর তাপস সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১৩ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮৬): ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩ ও ৩৪ নং ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-১৩ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৪,০৮,৭৯১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২,০৯,৮১২, নারী ১,৯৮,৯৭১ ও হিজড়া ভোটার ৮ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মিজানুর রহমান, স্বতন্ত্র কলস প্রতীকে সোহেল রানা, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) থেকে রকেট প্রতীকে মো. শাহাবুদ্দিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মই প্রতীকে মো. খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে রিক্সা প্রতীকে মো. মামুনুল হক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ববি হাজ্জাজ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকে শাহরিয়ার ইফতেখার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে ফাতেমা আক্তার মুনিয়া ও স্বতন্ত্র ঘুড়ি প্রতীকে শেখ মো. রবিউল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনে ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে জিয়াউর রহমান খান ও সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে জাহাঙ্গীর কবির নানক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১৪ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮৭): ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার কাউন্দিয়া ইউনিয়ন, বনগাঁও ইউনিয়ন এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ০৭, ০৮, ০৯, ১০, ১১ ও ১২ নং ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-১৪ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৪৫৬০৪৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৩২০৬৬, নারী ২২৩৯৭৪ ও হিজড়া ভোটার ৪ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বি.এস.পি) থেকে একতারা প্রতীকে মো. ওসমান আলী, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে রিয়াজ উদ্দিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সানজিদা ইসলাম, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. হেলাল উদ্দীন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) থেকে হাতি প্রতীকে মো. লিটন, গণফোরাম থেকে উদীয়মান সূর্য প্রতীকে মো. জসিম উদ্দিন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি থেকে ছাতা প্রতীকে মো. সোহেল রানা, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) থেকে ঈগল প্রতীকে মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে তারা প্রতীকে নুরুল আমিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মীর আহমাদ বিনকাসেম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাত পাখা প্রতীকে মো. আবু ইউসুফ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকেক আসলামুল হক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১৫ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮৮): ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ০৪, ১৩, ১৪ ও ১৬ নং ওয়ার্ড (মিরপুর- কাফরুল থানা) নিয়ে ঢাকা-১৫ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৩,৫১,৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৭৯,৬১৬, নারী ১,৭২,০৯৮ ও হিজড়া ভোটার ৪ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে দলটির আমীর মো. শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে আহাম্মদ সাজেদুল হক, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. সামসুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ থেকে মোটরগাড়ি (কার) প্রতীকে মো. আশফাকুর রহমান, জনতার দল থেকে কলম প্রতীকে খান শোয়েব আমান উল্লাহ, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বি.এস.পি) থেকে একতারা প্রতীকে মোবারক হোসেন ও আমজনতার দল থেকে প্রজাপতি প্রতীকে মো. নিলাভ পারভেজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৫ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে কামাল আহমেদ মজুমদার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১৬ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৮৯): ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২, ৩, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড (পল্লবী ও রূপনগর) নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৬ আসনটি। এখানকার মোট ভোটার ৪,০০,৪৯৯ জন। পুরুষ ২,০১,১৬৮, নারী ১,৯৯,৩২৩ ও হিজড়া ভোটার ৮ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন থেকে বটগাছ প্রতীকে মোহাম্মাদ তৌহিদুজ্জামান, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) থেকে ছড়ি প্রতীকে মোঃ আব্দুল কাদের জিলানী, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে মো. মামুন হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. আমিনুল হক, বাংলাদেশ লেবার পার্টি থেকে আনারস প্রতীকে আলহাজ্জ এ, কে, এম মোয়াজ্জেম হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতীকে মো. তারিকূল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. আব্দুল বাতেন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি থেকে গরুর গাড়ী প্রতীকে মো. নাজমুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) থেকে কাঁচি প্রতীকে মো. রাশিদুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. সুলতান আহম্মেদ সেলিম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ্ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১৭ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৯০): ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ ওয়ার্ড এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৭ আসনটি গঠিত। মূলত গুলশান, বনানী, নিকেতন, মহাখালী, বারিধারা, শাহজাদপুর এবং ঢাকা সেনানিবাসের একাংশ নিয়ে গঠিত এই আসনটি। এখানকার মোট ভোটার ৩,৩৩,৭৭৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৭৪,৭০৯, নারী ১,৫৯,০৬০ ও হিজড়া ভোটার ৮ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১২ জন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে দলটির চেয়ারপারসন তারেক রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে স. ম. খালিদুজ্জামান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে কাঁঠাল প্রতীকে কামরুল হাসান নাসিম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ থেকে আপেল প্রতীকে মনজুর হুমায়ুন, স্বতন্ত্র ময়ূর প্রতীকে মো. আনিসুজ্জামান খোকন, জাতীয় পার্টি - জেপি থেকে বাইসাইকেল প্রতীকে তপু রায়হান, জাতীয় পার্টি লাঙ্গল থেকে আতিক আহমেদ, স্বতন্ত্র মোরগ প্রতীকে কাজী এনায়েত উল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ উল্যাহ, বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে ডাব প্রতীকে মো. শামীম আহমদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টি থেকে আনারস প্রতীকে মুহাম্মদ রাশেদুল হক ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) থেকে টেলিভিশন প্রতীকে এস, এম, আবুল কালাম আজাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে দলটির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট থেকে এস এম আবুল কালাম আজাদ, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে আকবর হোসেন পাঠান ফারুক ও ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোহাম্মদ এ আরাফাত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১৮ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৯১): ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড নং ১,১৭,৪৩, ৪৪,৪৫,৪৬,৪৭,৪৮,৪৯,৫০,৫১,৫২,৫৩ ও ৫৪ নিয়ে ঢাকা-১৮ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৬,১৩,৮৮৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩,১৩,০৫০, নারী ৩,০০,৮২৭ ও হিজড়া ভোটার ৬ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন। তাদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে আরিফুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. আনোয়ার হোসেন, স্বতন্ত্র রেল ইঞ্জিন থেকে মো. মহিউদ্দিন হাওলাদার, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. জাকির হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে মই প্রতীকে সৈয়দ হারুন -অর - রশীদ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতীকে মিসেস সাবিনা জাবেদ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে এস, এম, জাহাঙ্গীর হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মোমবাতি প্রতীকে মো. জসিম উদ্দিন, স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকে মো. ইসমাইল হোসেন ও নাগরিক ঐক্য থেকে কেটলি প্রতীকে মাহমুদুর রহমান মান্না প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-১৯ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৯২): ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার শিমুলিয়া, ধামসোনা, ইয়ারপুর, আশুলিয়া, বিরুলিয়া, পাথালিয়া, সাভার ইউনিয়ন, সাভার পৌরসভা ও সাভার সেনানিবাস এলাকা নিয়ে ঢাকা-১৯ আসনটি গঠিত। এই আসনে মোট ভোটার ৭,৪৭,০৭০ জন। পুরুষ ৩,৭৯,৯০৬, নারী ৩,৬৭,১৫১ ও হিজড়া ভোটার ১৩ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি থেকে ছাতা প্রতীকে চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) থেকে আম প্রতীকে মো. ইসরাফিল হোসেন সাভারী, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মো. বাহাদুর ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) থেকে ট্রাক প্রতীকে শেখ শওকত হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মোহাম্মদ ফারুক খান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে হারিকেন প্রতীকে মো. কামরুল ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে দিলশানা পারুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে তালুকদার মোহাম্মদ তৌহীদ জং মুরাদ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে এনামুর রহমান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
ঢাকা-২০ (জাতীয় সংসদের আসন নম্বর-১৯৩): ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলা নিয়ে ঢাকা-২০ আসনটি গঠিত। এখানকার মোট ভোটার ৩,৭৬,৬৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১,৮৭,৮৩৫, নারী ১,৮৮,৮০২ ও হিজড়া ভোটার ২ জন।
প্রার্থী: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি থেকে শাপলা কলি প্রতীকে নাবিলা তাসনিদ, খেলাফত মজলিস থেকে দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে মো. আশরাফ আলী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. তমিজ উদ্দিন, জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে আহছান খান, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) থেকে ঈগল প্রতীকে হেলাল উদ্দিন আহাম্মদ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ থেকে মোটরগাড়ি (কার) মো. আরজু মিয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-২০ আসনে সীমানা পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে বেনজীর আহমদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে