Views Bangladesh Logo

রংপুরে থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধর: ১১ পুলিশ বরখাস্ত

রংপুর মহানগর পুলিশের কোতোয়ালী থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধরের ঘটনায় পেশাগত দায়িত্বে অবহেলা ও অপেশাদার আচরণের অভিযোগে ১১ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে।

৩ জুন সকালে স্বেচ্ছাসেবক দলের রংপুর সদর উপজেলা কমিটির সদস্য-সচিব রাকিবুল ইসলাম একটি পারিবারিক সালিশ সেশনে অংশগ্রহণের জন্য থানায় যান। থানার অভ্যন্তরে তিনি মারধরের শিকার হন। খবর পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। ঘটনার পরপরই কোতোয়ালী থানার ওসি আজাদ রহমান সহ পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে অন্যত্র প্রত্যাহার করা হয়।

রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী শুক্রবার জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে ১১ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি সমস্ত নথিপত্র, সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং থানার সিসিটিভি ভিডিও পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন: এসআই মাসুদ রানা, এসআই আলম বাদশাহ, এসআই আকতারুল ইসলাম, এএসআই মনিরুল ইসলাম, এএসআই আরিফুল ইসলাম, এএসআই মেহেরুন নেসা এবং কনস্টেবল মোস্তাকুর রহমান খন্দকার, কনস্টেবল মোখলেছুর রহমান মামুন, কনস্টেবল রাকিব আহমেদ, কনস্টেবল লিমা সরেন ও কনস্টেবল ভাবনা রানী।

অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় পিআরবির ৮৮০ বিধি এবং সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া সদস্যরা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত থেকে নিয়ম অনুযায়ী খোরপোষ ও অন্যান্য ভাতা পাবেন।

রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, যেকোনো পুলিশ সদস্যের দায়িত্বে অবহেলা বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে বিভাগ ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণ করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযোগে যথাযথ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ