পবিপ্রবিতে উপাচার্য অপসারণ দাবির কর্মসূচিতে সংঘর্ষ, আহত ১০
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্য কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১১ মে) সকালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
আন্দোলনরত শিক্ষকদের অভিযোগ, সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা রিপন শরীফের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন বহিরাগত হামলা চালায়।
এ সময় সাংবাদিক মোফাচ্ছেল হক তন্ময়ের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। আহত শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হেল্প সেন্টারসহ আশপাশের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
শিক্ষকরা জানান, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষককে শোকজ করা, ক্যাম্পাসে বিভিন্ন অনিয়ম এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে স্থবিরতার প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মো. আতিকুর রহমান বলেন, “আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৩ বছর ধরে চাকরি করছি। গতকাল আমাদের পাঁচজন শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে না। এসবের প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিলাম। এর মধ্যেই বহিরাগতরা এসে হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন।”
অভিযোগের বিষয়ে দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত নেতা রিপন শরীফ বলেন, “কিছু শিক্ষক তাদের পছন্দের ভিসি না হলে মব সৃষ্টি করেন। একটি চক্র এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে সক্রিয় রয়েছে।” তিনি মানববন্ধনের সময় বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম উদ্দীন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে পুলিশ অবস্থান করতে না পারায় বাইরে থে

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে