মানবাধিকার লঙ্ঘনে অভিযুক্তদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডার নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনে অভিযুক্ত কয়েক ডজন ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং কানাডা। সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনে অভিযুক্ত ৯০ ব্যক্তির ওপর সমন্বিত নিষেধাজ্ঞা ও ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশগুলো। শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) এই নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার এই দীর্ঘ তালিকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানবপাচারকারী, আফগানিস্তানে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত তালেবান কর্মকর্তা এবং হাইতির সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের নেতারা রয়েছেন।
৪৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। এর মধ্যে রয়েছে তাদের সম্পদ জব্দ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসকে সামনে রেখে এ ঘোষণা দেয় তারা।
এদিকে, ১৩ দেশের ৩৭ ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর কানাডা যৌথ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সাত ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন বলেন, আমরা বিশ্বের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে পদদলিত করে এমন অপরাধী ও নিপীড়নমূলক শাসনকে মেনে নেবো না।
যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় বেলারুশের আইনব্যবস্থার ১৭ সদস্য রয়েছেন। এতে আছেন অ্যাক্টিভিস্ট, সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযোগ আনা প্রসিকিউটররা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, আজকের পদক্ষেপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের কয়েকটি ক্ষতিকর ও ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনকে শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সংঘাত সংশ্লিষ্ট যৌন সহিংসতা, জোরপূর্বক শ্রম এবং আন্তর্জাতিক নিপীড়ন। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় তালেবানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়েছেন যিনি নারী ও মেয়ে শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করেন।
কানাডার নিষেধাজ্ঞার তালিকায় চেচনিয়ায় এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের অধিকার লঙ্ঘনে জড়িত চার রুশ নাগরিক এবং মিয়ানমার জান্তা প্রধান রয়েছেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে