Views Bangladesh Logo

ফের এক বছর পর কর্ণাটক থেকে বাংলাদেশে টমেটো রপ্তানি শুরু

প্রায় এক বছর বিরতির পর আবারও ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কোলার থেকে বাংলাদেশে টমেটো রপ্তানি শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিকের পরে কোলারের কৃষি উৎপাদন বাজার দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম টমেটো বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

টমেটো ব্যবসায়ী ও উৎপাদক সমিতির সভাপতি এম নারায়ণস্বামী বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে পাকিস্তানে টমেটো রপ্তানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এক বছর আগে নেপাল এবং বাংলাদেশেও রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়; কিন্তু এক মাসের মধ্যে বাংলাদেশে টমেটো রপ্তানি আবার শুরু হবে। তবে পাকিস্তানে রপ্তানি বন্ধই থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী পাকিস্তানে সকল রপ্তানি নিষিদ্ধ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণেই নয় বরং বাংলাদেশে টমেটো উৎপাদন বৃদ্ধির কারণেও টমেটোর চাহিদা কমে গেছে। তবে আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা আবারও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছি। মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি আমরা দুবাই (মুম্বাই হয়ে), বাংলাদেশ, নেপাল, আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা, হংকং এবং সিঙ্গাপুরে রপ্তানি করি। তবে এই বছর রপ্তানি কম হয়েছে।’

কৃষক এবং টমেটো ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরের জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত কোলার থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টন টমেটো রপ্তানি করা হয়।

টমেটো ব্যবসায়ী সিএমআর শ্রীনাথ বলেন, ‘জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য কৃষকরা ভারতের অভ্যন্তরে কম দামে তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে ইচ্ছুক।’

আরেক ব্যবসায়ী জানান, কোলার থেকে প্রতি কেজি ৯৫ টাকা মূল্যে টমেটো আমদানি করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন নয়।

এদিকে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জোর দিয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে টমেটো পাকিস্তানে পুনরায় বিক্রি করা উচিত নয়।

উল্লেখ্য, গত আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর ভারত থেকে পণ্য রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। এ অবস্থায় ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাসিক আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আগস্টের পর বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। তবে পরিসংখ্যান বলছে, ফের দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য গতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ