যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ৭ রাজ্য
নভেম্বর ৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য মার্কিন নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে দুজনরেই ভোটের ব্যবধান অনেক কম।
মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী, প্রতিটি রাজ্য নিজস্ব ভোট গ্রহণের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়। ইলেকটোরাল কলেজের এই জটিল ব্যবস্থায় ৫০টি রাজ্যের ভোট মিলিয়ে বিজয়ীকে ২৭০ ইলেকটোরাল ভোট পেতে হয়। নির্বাচনের ফলাফল সাধারণত সেই ‘সুইং স্টেট’ বা ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ রাজ্যগুলোতেই নির্ধারিত হয়, যেখানে ভোটাররা দুই দলের মধ্যেই ভোট প্রদান করেন। এ বছর এমন সাতটি রাজ্য রয়েছে, যেখানে দুপক্ষের মধ্যে লড়াই তীব্র চলার সম্ভাবনা রয়েছে।
পেনসিলভেনিয়া, জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা, মিশিগান, অ্যারিজোনা, উইসকনসিন ও নেভাডা- এই সাতটি রাজ্যে এবারের নির্বাচনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
১. পেনসিলভেনিয়া পেনসিলভেনিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য, আগে ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের জন্য নিরাপদ ছিল। তবে এখানে ভোটের ব্যবধান খুবই অল্প। ২০২০ সালের নির্বাচনে বাইডেন ও ট্রাম্পের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল।
২. জর্জিয়া
জর্জিয়া ট্রাম্পের জন্য একটি চ্যালেঞ্জিং রাজ্য, কারণ এখানকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনি অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। তার বিরুদ্ধে এখানকার কর্মকর্তাদের উপর চাপ প্রয়োগেরও অভিযোগ রয়েছে।
৩. নর্থ ক্যারোলাইনা
এই রাজ্যটি ডেমোক্র্যাটিক ভোটারদের জন্য একটি সম্ভাব্য লক্ষ্য, যদিও এখানে রক্ষণশীল ভোটারদেরও সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
৪. মিশিগান
মিশিগান দুই দলেরই অবস্থান ফিফটি-ফিফটি। এখানে ট্রাম্প ২০১৬ সালে জয়ী হয়েছিলেন। পরে বাইডেন ২০২০ সালে পুনরায় বিজয়ী হন।
৫. অ্যারিজোনা
এই রাজ্য ২০২০ সালের নির্বাচনে কম ব্যবধানের ভোটের জন্য পরিচিত। ট্রাম্প আশা করছেন, অভিবাসন নীতির কারণে এখানকার ভোটাররা তার পক্ষে ফিরে আসবে।
৬. উইসকনসিন
উইসকনসিনের ভোটের প্রেক্ষাপট ২০১৬ ও ২০২০ সালে ভিন্ন ছিল। তবে এখানে বাইডেনের প্রভাব বেশ শক্তিশালী।
৭. নেভাডা
নেভাডা ২০০৪ সাল থেকে রিপাবলিকানদের জন্য একটি অচল রাজ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এখানকার লাতিন ভোটারদের মধ্যে ট্রাম্পের কিছু সমর্থন বেড়েছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে